AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

২৮০০ কোটি টাকার মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৪:৩৪ পিএম, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

২৮০০ কোটি টাকার মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, প্রায় ২৮০০ কোটি টাকা মূল্যের এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোনটি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাতে ধ্বংস হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ ঘটনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

মার্কিন নৌবাহিনী ১৪ এপ্রিল জানায়, ৯ এপ্রিল পারস্য উপসাগর এলাকায় একটি ট্রাইটন মানববিহীন বিমান নিখোঁজ হয়। এটি গুলি করে নামানো হয়েছে নাকি কারিগরি ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে— সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ড্রোনটি হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরের আকাশে কয়েক ঘণ্টা নজরদারি শেষে ইতালির সিগোনেলা নৌঘাঁটির উদ্দেশ্যে ফিরছিল। ফেরার পথে এটি জরুরি সংকেত পাঠায় এবং প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে দ্রুত নিচে নামতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই রাডার ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থা থেকে এর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এমকিউ-৪সি ট্রাইটন বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল নজরদারি ড্রোন হিসেবে পরিচিত। প্রতিটির দাম প্রায় ২৩৫ থেকে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৮০০ কোটিরও বেশি। উচ্চমূল্যের কারণে এখন পর্যন্ত সীমিত সংখ্যক ট্রাইটন সক্রিয় রয়েছে, ফলে একটি ড্রোন হারানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নর্থরপ গ্রুম্যান নির্মিত এই ড্রোন দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করে সমুদ্রপথে নজরদারি চালাতে সক্ষম। এতে উন্নত রাডার, ক্যামেরা, ইনফ্রারেড সেন্সর ও সিগন্যাল গোয়েন্দা প্রযুক্তি সংযুক্ত রয়েছে, যা নৌ চলাচল ও সামরিক তৎপরতা পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়।

ফ্লাইট ডেটা অনুযায়ী, ড্রোনটি ইরানের আকাশসীমার দিকে কিছুটা অগ্রসর হয়েছিল। এ কারণে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, এটি ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ইরান একটি মার্কিন গ্লোবাল হক ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই এ অঞ্চলে মার্কিন নজরদারি কার্যক্রম নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত হলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হতে পারে। সূত্র: আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষণমাধ্যম।

 

একুশে সংবাদ/যাবিদ

Link copied!