AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

এক দশক পর আইসিজিতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার বিচার শুরু


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১১:১৪ এএম, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

এক দশক পর আইসিজিতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার বিচার শুরু

প্রায় এক দশক পর মিয়ানমারের ধর্মীয় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজি)। এই আদালত বিশ্বব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড কোর্ট’ নামেও পরিচিত।

নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত আইসিজিতে সোমবার (স্থানীয় সময় সকাল ১০টা, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) মামলার শুনানি শুরু হবে। ধারাবাহিক এই শুনানি পর্ব টানা প্রায় তিন সপ্তাহ চলবে।

রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত মামলাটির তদন্তে নিয়োজিত জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থা ‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌজিমান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৭ সালের জুলাইয়ে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও সেনা ছাউনিতে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলার দায় রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগঠন আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর ওপর চাপায় মিয়ানমার সরকার। এরপর একই মাসে রাখাইন রাজ্যের সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় সামরিক অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী।

অভিযানের সময় বেসামরিক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠে। প্রাণ বাঁচাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশসহ আশপাশের দেশগুলোতে পালিয়ে যায়। বাংলাদেশ সরকারের হিসাবে, সে সময় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়, যাদের বড় একটি অংশ এখনো কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে অবস্থান করছে।

এই সামরিক অভিযানের পর জাতিসংঘের একটি তদন্ত দল ঘটনাটি অনুসন্ধান করে। তাদের প্রতিবেদনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চালানো অভিযানে ‘গণহত্যামূলক উদ্দেশ্যের স্পষ্ট ইঙ্গিত’ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ২০১৯ সালে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া আইসিজিতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা দায়ের করে। সোমবার থেকে শুরু হওয়া শুনানি সেই মামলারই বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ।

রোহিঙ্গা নিপীড়নের সময় মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিলেন নোবেলজয়ী অং সান সুচি। তিনি জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। গাম্বিয়ার করা মামলাকেও তিনি ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে আখ্যা দেন।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন অং সান সুচি। বর্তমানে তিনি মিয়ানমারের কারাগারে বন্দি রয়েছেন এবং সেনা নিয়ন্ত্রিত আদালতে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিচার চলছে।

মামলার প্রধান তদন্তকারী নিকোলাস কৌজিমান রয়টার্সকে বলেন, এই বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গণহত্যার সংজ্ঞা, প্রমাণের মানদণ্ড এবং আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপিত হতে পারে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!