AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

‘পিড্ডি’ নিয়ে মুখ খুললেন জাহ্নবী


Ekushey Sangbad
বিনোদন ডেস্ক
০৭:৩২ পিএম, ৩১ মে, ২০২৬

‘পিড্ডি’ নিয়ে মুখ খুললেন জাহ্নবী

জাহ্নবী কাপুর বর্তমানে ব্যস্ত তার দ্বিতীয় তেলুগু সিনেমা ‘পিড্ডি’-এর কাজ নিয়ে। রাম চরণ-এর বিপরীতে এই সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। মুক্তির আগেই ছবিটি ঘিরে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

এরই মধ্যে দক্ষিণী চলচ্চিত্রে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছেন জাহ্নবী। অভিনেত্রীর ভাষ্য, ভিন্নধর্মী চরিত্রে কাজ করা এবং নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের গণ্ডি ভেঙে নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতেই সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন তিনি। তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির কাজের পরিবেশ ও নির্মাণশৈলীও তার কাছে দারুণ ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাহ্নবী জানান, তেলুগু চলচ্চিত্র অঙ্গনের কাজের পরিবেশ তাকে বেশ মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে কাজের সময়সূচি, শৃঙ্খলা এবং শিল্পী-কলাকুশলীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টি তার কাছে প্রশংসনীয় বলে মনে হয়েছে।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘তেলুগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির যে বিষয়টি আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে, তা হলো তারা সবার সময়কে সম্মান করে। শুধু অভিনেতা-অভিনেত্রী নয়, টেকনিশিয়ান ও ইউনিটের অন্যান্য সদস্যদের কাজের সময়ও সমান গুরুত্ব পায়।’

জাহ্নবী জানান, শুটিং চলাকালে খাওয়া-দাওয়া ও বিশ্রামের বিষয়টিও সেখানে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। দুপুরের খাবারের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়, এমনকি কাজের ফাঁকে অল্প সময়ের বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও থাকে।

দক্ষিণী ও বলিউড ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে পার্থক্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মুম্বাইয়ে অনেক সময় এসব বিষয়ে আপস করতে হয়। তবে দক্ষিণে কাজের সময়সূচি ও বিশ্রামের বিষয়টি অনেক বেশি পরিকল্পিতভাবে পরিচালনা করা হয়।’

রাতের শুটিং নিয়েও নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘রাতের শুটিং সাধারণত রাত ২টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। ফলে পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ পাওয়া যায়। আমার মনে হয়েছে, এসব বিষয়ে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি বাড়তি যত্নশীল।’

এ ছাড়া তেলুগু সিনেমার শুটিংয়ে খুব কম ক্ষেত্রেই তাকে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়েছে বলেও জানান জাহ্নবী। তার দাবি, অধিকাংশ দিনই ৯ থেকে ১০ ঘণ্টার মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যেত, যা শিল্পীদের জন্য অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে কর্মঘণ্টা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে দীপিকা পাড়ুকোন দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ না করার সিদ্ধান্ত জানানোর পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়।

এমন প্রেক্ষাপটে দক্ষিণী চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির কাজের পরিবেশ নিয়ে জাহ্নবী কাপুরের ইতিবাচক মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তার মতে, সুশৃঙ্খল কর্মপরিবেশ এবং কাজ-জীবনের ভারসাম্য নিশ্চিত করা গেলে শিল্পী ও কলাকুশলীদের সৃজনশীলতাও আরও বাড়ে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!