২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ পণ্যের ওপর আরোপিত মিনিমাম ট্যারিফ ভ্যালু (ন্যূনতম শুল্কযোগ্য মূল্য) এবং মোট কার্যকর করভার বা টিটিআই (Total Tax Incidence-ITI) কমিয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কসমেটিকস অ্যান্ড টয়লেট্রিজ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
সোমবার (২২ জুন) সকালে রাজধানীর মৌলভীবাজার টাওয়ারে অ্যাসোসিয়েশনের নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনের সভাপতি জহিরুল হক ভূঁইয়া।
বক্তব্যে জহিরুল হক ভূঁইয়া বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ পণ্যের ওপর ন্যূনতম শুল্কযোগ্য মূল্য (মিনিমাম ভ্যালু) এবং মোট কার্যকর করভার (আইটিআই) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে মিনিমাম ট্যারিফ ভ্যালু ৫০ থেকে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ঐ সময় অ্যাসোসিয়েশন আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল যে, এ ধরনের কর কাঠামো বৈধ আমদানি নিরুৎসাহিত করবে, চোরাচালানকে উৎসাহিত করবে এবং সরকারের প্রত্যাশিত রাজস্ব অর্জনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। তাদের দাবি, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেই আশঙ্কাই বাস্তবে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার বাস্তবতা অনুধাবন করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ফেসওয়াশ, লোশন ও ক্রিমসহ কিছু পণ্যের মিনিমাম ট্যারিফ ভ্যালু আংশিকভাবে কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে। ব্যবসায়ী সমাজের যৌক্তিক দাবি বিবেচনায় নেওয়ায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হলেও অ্যাসোসিয়েশনের মতে, এ পরিবর্তন সমস্যার সামান্য অংশের সমাধান করেছে; মূল সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান হয়নি। ফলে কর কাঠামোর আরও বাস্তবসম্মত পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন।
এ সময় বলা হয়, বর্তমানে প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ খাতের বৈধ আমদানিকারকরা অত্যন্ত কঠিন ব্যবসায়িক পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। কিছু পণ্যের মিনিমাম ট্যারিফ ভ্যালু সামান্য কমানো হলেও রেগুলেটরি ডিউটি (আরডি) এবং সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি (এসডি) আগের মতো বহাল থাকায় মোট কার্যকর করহার এখনও অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
তাদের দাবি, পার্শ্ববর্তী দেশ ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের বর্তমান করহার অস্বাভাবিকভাবে বেশি। বর্তমান কর কাঠামোর কারণে বৈধ আমদানির খরচ পূর্বের মতোই অস্বাভাবিক উচ্চ পর্যায়ে থাকবে এবং বাজারে পণ্যের দামেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে না। এর প্রভাব শুধু ব্যবসায়ীদের নয়, ভোক্তা, সরকার ও সামগ্রিক অর্থনীতির ওপরও পড়বে।
সংগঠনের দাবি, গত এক বছরে এ খাতে বৈধ আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে; বহু প্রতিষ্ঠান ব্যবসা সংকুচিত করতে বাধ্য হয়েছে, অনেক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম বন্ধ করেছে এবং বাজারে অবৈধ উৎস থেকে পণ্য প্রবেশের প্রবণতা বেড়েছে।
সমস্যার মূল কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জহিরুল হক ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান কর কাঠামো বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বর্তমানে নির্ধারিত মিনিমাম ট্যারিফ ভ্যালু আন্তর্জাতিক বাজারে প্রচলিত প্রকৃত আমদানি মূল্যের তুলনায় এখনও অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারের তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের স্কিন ক্রিম সাধারণত প্রতি কেজি ৩ থেকে ৬ দশমিক ১০ মার্কিন ডলার এবং ফেসওয়াশ প্রায় ৩ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার বা তারও কম মূল্যে আমদানি হয়ে থাকে। কিন্তু এসব পণ্যের জন্য নির্ধারিত মিনিমাম ভ্যালু প্রকৃত আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অনেক বেশি হওয়ায় বৈধ আমদানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা পাচারের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি করেন। এ পরিস্থিতিতে অ্যাসোসিয়েশন একটি বাস্তবসম্মত, রাজস্ববান্ধব, ব্যবসাবান্ধব ও ভোক্তাবান্ধব কর কাঠামো প্রণয়নের আহ্বান জানায়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারদর ও প্রকৃত আমদানি মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মিনিমাম ট্যারিফ ভ্যালু পুনর্মূল্যায়ন এবং রেগুলেটরি ডিউটি (আরডি) ও সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি (এসডি) যৌক্তিক পর্যায়ে পুনর্নির্ধারণ করে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক কর কাঠামো গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়।
অ্যাসোসিয়েশনের মতে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে সরকার, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা—সকলেই উপকৃত হবে। বৈধ আমদানি বৃদ্ধি পাবে, সরকারের রাজস্ব আহরণ বহুগুণে বাড়বে, চোরাচালান ও অবৈধ আমদানি কমবে, নকল ও নিম্নমানের পণ্যের বাজার সংকুচিত হবে এবং বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা প্রতিষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং ভোক্তারা সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত পণ্য ক্রয়ের সুযোগ পাবেন।
জহিরুল হক ভূঁইয়া বলেন, তাদের দাবি সরকারের রাজস্ব আয় কমানোর জন্য নয়; বরং রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর জন্য। তারা কোনো কর অব্যাহতি চান না, বরং একটি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর কর কাঠামো চান। যৌক্তিক মিনিমাম ট্যারিফ ভ্যালু এবং প্রতিযোগিতামূলক আইটিআই নির্ধারণ করা হলে প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ খাত আবারও বৈধ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব বৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বক্তারা বলেন, কসমেটিকস ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা পণ্য আমদানিতে সরকার নির্ধারিত মিনিমাম ট্যারিফ ভ্যালু ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সমস্যা। কোনো পণ্য ১০ ডলারে কেনা হলেও যদি সরকারের নির্ধারিত মিনিমাম ভ্যালু ১৪ ডলার হয়, তাহলে ১৪ ডলারের ওপরই শুল্ক ও কর দিতে হয়। এটি পুরোপুরি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্ধারণের ওপর নির্ভরশীল। গত বছর বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে মিনিমাম ভ্যালু বাড়ানো হয়েছিল, যদিও বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারদর সহজেই যাচাই করা সম্ভব।
তারা বলেন, কাস্টমস শুধু ন্যূনতম মূল্যই নয়, এর চেয়েও বেশি মূল্যায়ন করতে পারে। আগে ট্যাক্সমুক্ত মূল্যসীমা ছিল ২০ ডলার, বর্তমানে ১৪ ডলার। তবে কাস্টমস চাইলে ১৪ ডলারের পরিবর্তে ৩০ ডলারও মূল্যায়ন করতে পারে, কিন্তু ১৪ ডলারের নিচে যেতে পারে না। গত বছর এ সীমা ছিল ২০ ডলার, তার আগের বছর ছিল ৮ ডলার। অর্থাৎ ৮ ডলার থেকে ২০ ডলারে উন্নীত করে এখন ১৪ ডলারে নামানো হয়েছে। তবে ১৯২ দশমিক ২১ ডলারের নির্ধারিত ভ্যালু অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বক্তারা বলেন, মিনিমাম ভ্যালু ও ডিউটি কাঠামো ভিন্ন বিষয়। মিনিমাম ভ্যালু হলো সেই মূল্য যার নিচে প্রকৃত ক্রয়মূল্য গ্রহণ করা হয় না। আর ডিউটি কাঠামোর মধ্যে রয়েছে কাস্টমস ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক (এসডি), রেগুলেটরি ডিউটি (আরডি), ভ্যাট, অগ্রিম আয়কর (এআইটি) ও অন্যান্য কর। তাদের অভিযোগ, মিনিমাম ভ্যালু কিছুটা কমানো হলেও মোট কার্যকর করহার কমানো হয়নি।
বর্তমানে ২৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, ১৫ শতাংশ ভ্যাট, রেগুলেটরি ডিউটি, ট্রেডিং ট্যাক্স, অগ্রিম আয়করসহ বিভিন্ন কর যোগ হয়ে মোট করের বোঝা অত্যন্ত বেড়েছে। শুধু মিনিমাম ভ্যালু ২০ থেকে ১৪ ডলারে নামালে সমস্যার সমাধান হবে না; মোট কার্যকর করহার কমাতে হবে। তিন বছর আগে রেগুলেটরি ডিউটি ছিল ৩ শতাংশ, পরে তা ২০ শতাংশে উন্নীত করা হয়। ব্যবসায়ীরা এটিকে ১০ শতাংশে নামানোর দাবি জানান। একইভাবে ২৫ ও ৩০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক যথাক্রমে ১০ ও ২০ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব দেন।
তারা বলেন, অগ্রিম আয়কর (এআইটি) বর্তমানে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, যদিও অনেক ব্যবসায়ী ২ শতাংশ মুনাফাও করতে পারছেন না। আগে এই হার ছিল ৫ শতাংশ। এছাড়া ডলারের মূল্যবৃদ্ধিও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সংকট তৈরি করেছে। বর্তমানে ডলারের মূল্য ১২৭ টাকা ৭৫ পয়সা। আগে কাস্টমস মূল্যায়নে ডলারের দাম ১২২-১২৪ টাকা ধরা হলেও এখন ১২৬ টাকা ধরা হচ্ছে। ফলে প্রতিটি কনসাইনমেন্টে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে, যার প্রভাব ভোক্তার ওপরও পড়ছে।
বক্তাদের মতে, সরকার এখনও কসমেটিকস পণ্যকে বিলাসপণ্য হিসেবে বিবেচনা করছে, যা বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সাবান, ফেসওয়াশ, ফেস পাউডার ও শিশু পরিচর্যা সামগ্রী এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। মানুষের জীবনযাত্রার মান ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে ‘লাক্সারি আইটেম’-এর সংজ্ঞাও পরিবর্তন করা প্রয়োজন।
তারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ম অনুযায়ী সরকার ইচ্ছামতো কাস্টমস ডিউটি বাড়াতে পারে না। তবে দেশীয় শিল্প সুরক্ষার নামে রেগুলেটরি ডিউটি ও সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে আমদানি কারকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। গত দেড় বছর ধরে আন্দোলন ও আলোচনার ফলে সরকার কিছু পণ্যের মিনিমাম ভ্যালু কমাতে বাধ্য হয়েছে। গত বছর লিপস্টিকসহ বিভিন্ন কসমেটিকস পণ্যের মিনিমাম ভ্যালু ৩০, ২০ ও ১৮ ডলার নির্ধারণ করা হলেও বর্তমানে কিছু ক্ষেত্রে তা ১৪ ডলারে নামানো হয়েছে। তবে তাদের মতে, ট্যারিফ ভ্যালু কমানোর পাশাপাশি কর কাঠামোরও সংস্কার জরুরি।
চোরাচালান ও নকল পণ্যের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, উচ্চ ট্যারিফ ভ্যালু ও অতিরিক্ত করের কারণেই এসবের বাজার তৈরি হয়েছে। কয়েক বছর আগে যে সাবান ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হতো, বর্তমানে সেটির দাম ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায় পৌঁছেছে, যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম তেমন বাড়েনি।
এ সময় এক সাংবাদিক অভিযোগ করেন, চকবাজার এলাকায় সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে ভোর পর্যন্ত আলাদা একটি বাজার পরিচালিত হয় এবং সেখানে বিক্রি হওয়া কসমেটিকস পণ্যের ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ নকল বা দুই নম্বর পণ্য। কিছু ব্যবসায়ী এবং অ্যাসোসিয়েশনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিও এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন বলে অভিযোগ করা হয়।
জবাবে বক্তারা বলেন, তাদের অ্যাসোসিয়েশনের কোনো সদস্য জড়িত নয় তবে কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নকল সামগ্রী বন্ধে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে নকলবিরোধী কমিটি গঠন, লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার কথা জানান। তবে বর্তমান কর কাঠামো ও বাজার বাস্তবতায় নকল পণ্যের বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন হয়ে পড়েছে। সংগঠনের বাইরে থাকা অনেক ব্যবসায়ী এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা জানান, ১০০ মিলিলিটার শ্যাম্পু বা সাবানের ক্ষেত্রে সরকার বিভিন্ন শুল্ক ও কর বাবদ প্রায় ৯৫ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। অনেক ক্ষেত্রে সরকারের আদায়কৃত কর ব্যবসায়ীর মুনাফার চেয়েও বেশি। ৫০ টাকায় কেনা পণ্যের ওপরও ৯৫ টাকা পর্যন্ত কর দিতে হচ্ছে। ফলে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং চোরাচালান ও নকল পণ্য বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তারা দাবি করেন, দেশের আমদানিকারকদের সক্ষমতা দেশের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি; প্রয়োজনে বাংলাদেশের সমপরিমাণ আরও কয়েকটি দেশের চাহিদাও তারা পূরণ করতে পারবেন। কিন্তু অযৌক্তিক কর ও শুল্ক কাঠামোর কারণে বৈধ ব্যবসা সংকুচিত হচ্ছে এবং অবৈধ ব্যবসা বিস্তার লাভ করছে। তাই তারা ট্যারিফ ভ্যালু পুনর্বিবেচনা, রেগুলেটরি ডিউটি ও সম্পূরক শুল্ক কমানো, অগ্রিম আয়কর হ্রাস এবং কসমেটিকস পণ্যের ক্ষেত্রে বিলাসপণ্যের সংজ্ঞা পুনর্নির্ধারণের দাবি জানান।
তাদের মতে, এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা ফিরবে, ভোক্তারা যুক্তিসঙ্গত মূল্যে পণ্য পাবেন এবং চোরাচালান ও নকল পণ্যের বাজার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। এ সময় বাংলাদেশ কসমেটিকস অ্যান্ড টয়লেট্রিজ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের মোঃ সাহিদ হোসেন, মোঃ জাফর ইমাম, মোঃ হেলাল উদ্দিন, মোঃ ফাহিম-আদিল, শাহজামান কাজী ও মোঃ নুরুজ্জামান সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একুশে সংবাদ/রাফি/বাবু



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

