AB Bank
  • ঢাকা
  • শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

শুল্কমুক্ত সুবিধায় জাপানের বাজারে যাবে ৭ হাজারের বেশি বাংলাদেশি পণ্য


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১:৩৭ এএম, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শুল্কমুক্ত সুবিধায় জাপানের বাজারে যাবে ৭ হাজারের বেশি বাংলাদেশি পণ্য

বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ‘অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (ইপিএ)। এই চুক্তির আওতায় তৈরি পোশাকসহ মোট ৭ হাজার ৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধায় রপ্তানির সুযোগ পাবে।

অন্যদিকে, জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত বা বিশেষ অগ্রাধিকার সুবিধায় প্রবেশ করতে পারবে।

শুক্রবার জাপানের রাজধানী টোকিওতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয় বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাপানের পক্ষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও চুক্তিতে সই করেন।

ঢাকা ও টোকিওতে অনুষ্ঠিত মোট সাত দফা আলোচনা শেষে এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোনো দেশের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তিতে যুক্ত হলো।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচিসহ উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি প্রসঙ্গে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, এই ইপিএ কেবল একটি বাণিজ্যিক সমঝোতা নয়; বরং এটি দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আস্থা ও বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের প্রতিফলন। সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে এটি উভয় দেশের জন্য নতুন সমৃদ্ধির দ্বার খুলে দেবে।

চুক্তির ফলে তৈরি পোশাক খাতে ‘সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন’ সুবিধা যুক্ত হওয়ায় কাঁচামালের উৎসসংক্রান্ত জটিলতা ছাড়াই বাংলাদেশি পোশাক সহজে জাপানে প্রবেশ করতে পারবে। পাশাপাশি আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, শিক্ষা, কেয়ারগিভিং ও নার্সিংসহ প্রায় ১৬টি খাতে ১২০টি সেবা খাতে বাংলাদেশি দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ জাপানের জন্য ১২টি বিভাগের আওতায় ৯৮টি উপখাত উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি উৎপাদন, অবকাঠামো, জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতে জাপানি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!