ইজিবাইক ছিনতায়ের পর ১৪ বছর বয়সি মিশকাত যখন তাঁর মাকে নিয়ে সংসার আর লেখাপড়ার চিন্তায় দিশেহারা,ঠিক সে সময় তাঁর পাশে দাড়িয়েছেন প্রচার বিমুখ সমাজের একজন দানশীল ব্যক্তি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সেই দানশীল ব্যক্তির দেয়া নতুন ইজিবাইক তাঁর হাতে তুলে দেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ। ওই ইজিবাইকটি যেন মিশকাত পরিবারের জন্য অন্ধকার ঘরে আশার আলো।
জানা যায়,ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর তালসার কাজী লুৎফর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ ম শ্রেনীর ছাত্র মিশকাত । লেখাপড়ার পাশাপাশি পিতার মৃত্যর পর সংসার চালাতে সে ধরে ছিলেন ইজিবাইকের হ্যান্ডেল।
তা থেকে যা কিছু আয় রোজগার করতেন,সেটা দিয়ে চলতো তাঁর পড়া লেখা আর তাঁর মাকে নিয়ে সংসার। রবিবার (১৯-০৭-২৬) রাতে সেই ইজিবাইকটি ছিনিয়ে নেন যাত্রী বেশী ছিনতাইকারীরা। তাঁকে বেঁধে রেখে যায় গাছের সঙ্গে। যে ইজিবাইকটি ছিল তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। সেটা হারিয়ে চরম বিপাকে পড়েন পরিবারটি।
বিষয়টি নিয়ে পরের দিন বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেই প্রকাশিত সংবাদটি নজরে পড়েন প্রচার বিমুখ সমাজের সেই দানশীল ব্যক্তির। এরপর তিনি ঝিনাইদহ জেলার প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আজাদ রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইজিবাইকট কিনে দেন মিশকাত পরিবারের জন্য ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সেই ইজিবাইকটি মিশকাতের হাতে তুলে দেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহের প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আজাদ রহমান ও কালিগঞ্জ উপজেলার প্রেস ক্লাবের সভাপতি শাহাজান আলী সাজু ও গণমাধ্যমকর্মীরা। এদিকে ওই ইজিবাইকটি যেন মিশকাত পরিবারের জন্য অন্ধকার ঘরে আশার আলো জাগিয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন,এটা অবশ্যই একটা মহতি উদ্দ্যোগ। আমি চাইবো সমাজের যারা বৃত্তবান আছেন, তারা যেন এ ধরনের সামাজিক কাজের যুক্ত হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়ান।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

