AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

জীবননগরে হত্যা মামলার আসামিকে মৃত্যুদন্ড-জরিমানা



জীবননগরে হত্যা মামলার আসামিকে মৃত্যুদন্ড-জরিমানা

দীর্ঘ আড়াই বছর পর চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া আঁখি প্রি-ক্যাডেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম খাতুন চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) জেলার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোক্তাগীর আলম একমাত্র আসামি আবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন। রায়ের পর তাকে কঠোর পুলিশ প্রহরায় কারাগারে পাঠানো হয়। ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামীর রায় প্রদান করে বিচারক।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, গত ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক ইকবাল হোসেনের দুই মেয়ে মরিয়ম খাতুন (১০) ও আছিয়া খাতুন (৮) প্রতিবেশী শিশু হুযাইফা (৭) ও সিনহা খাতুনকে নিয়ে স্থানীয় হাড়িভাঙ্গা মাঠে শাক তুলতে যায়।

এদিন বেলা ১২টার দিকে আছিয়া ও তার সঙ্গীরা বাড়ি ফিরে তাদের মাকে জানায়, মাঠে শাক তোলার সময় এক ব্যক্তি রাস্তার ওপর ভ্যান রেখে তাদের কাছে আসে। সে মরিয়মকে শাক তুলে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুট্টা ক্ষেতের দিকে নিয়ে যায় এবং বাকিদের সেখানে অপেক্ষা করতে বলে। দীর্ঘ সময় পর লোকটি একা ফিরে এলে মরিয়মের কথা জানতে চাইলে সে জানায়, মরিয়ম একটু পরেই আসবে। সন্দেহ হলে মরিয়মের মা ও প্রতিবেশীরা মাঠের দিকে গিয়ে স্থানীয় আলী হোসেনের ভুট্টা ক্ষেতে মরিয়মের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

এ ঘটনায় মরিয়ম খাতুনের বাবা ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীকালে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর জীবননগর থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম তদন্ত শেষে জীবননগরের গয়েশপুর গ্রামের আবু তাহের মোল্লার ছেলে আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে (২৯) একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

মামলা চলাকালীন আসামি আবুল হোসেন চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া, তার ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টও পজিটিভ আসে।
গত বুধবার চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে বিচারক আজ সোমবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। চার্জশিট ও ডিএনএ রিপোর্টসহ নানা তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট এম. এম. শাহজাহান মুকুল বলেন, ‍‍`সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদনে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। আসামিপক্ষের স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী ছিলেন ওহিদুজ্জামান মুকুল। এই হত্যা মামলার রায় হওয়াতে বাদীপক্ষ তাদের মেয়ের ন্যায়বিচার পেয়েছে।
 

একুশে সংবাদ/ওজি

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!