AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

আসামির মৃত্যুর গুজবে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, গ্রেপ্তার ১৮



আসামির মৃত্যুর গুজবে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, গ্রেপ্তার ১৮

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হেফাজতে থাকা এক আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলা, থানা ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১০ নারীসহ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে থানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক বাদী হয়ে ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও পর্যালোচনা করে শনাক্ত করা গ্রেপ্তারকৃতদের শুক্রবার দুপুরে বরিশালের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় চুরি ও মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ। পুলিশের দাবি, থানার হাজতে থাকাকালে রিয়াজ নিজের মাথায় আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে তাকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, পুলিশের নির্যাতনে রিয়াজ ফকির মারা গেছেন।

মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে রিয়াজের স্বজন ও স্থানীয় কয়েকশ মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিল করে আগৈলঝাড়া থানায় যান। একপর্যায়ে তারা থানায় ভাঙচুর চালান এবং কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করেন বলে অভিযোগ পুলিশের।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে এএসআই আব্দুল হালিমসহ পুলিশের ছয় সদস্য এবং অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান।

মামলার বাদী এসআই ওমর ফারুক জানান, বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা, সরকারি কাজে বাধা, থানায় অনধিকার প্রবেশ, ভাঙচুর ও চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান বলেন, "একটি মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এজাহারভুক্ত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।"

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!