AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ভারী বর্ষণে দামুড়হুদায় সড়ক ধস



ভারী বর্ষণে দামুড়হুদায় সড়ক ধস

টানা ভারী বর্ষণে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার হাউলি ইউনিয়নের জয়রামপুর-কুমারীদহ সংযোগ সড়কের একটি অংশ ধসে পড়েছে। এতে দুই গ্রামের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহারকারী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে এখন বিকল্প ও দীর্ঘ পথ ঘুরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে জয়রামপুর কাঠালতলা মসজিদের পেছনের সড়কের নিচের মাটি সরে যায়। পরে প্রায় ১৫ ফুটজুড়ে সড়কের একটি অংশ ধসে পড়ায় যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এর ফলে কৃষিপণ্য পরিবহন, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

কুমারীদহ গ্রামের বাসিন্দা মো. মসলেম বলেন, “সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি রাস্তার বড় একটি অংশ ভেঙে গেছে। এখন অনেক দূর ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে সময় ও খরচ—দুটোই বেড়ে গেছে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী রোকন বলেন, “এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। রাস্তা ধসে পড়ায় ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত মেরামত না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”

একই এলাকার বাসিন্দা মো. মিলন বলেন, “জয়রামপুর ও কুমারীদহ গ্রামের মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দ্রুত সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।”

হাউলি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দীন বলেন, “সড়ক ধসের খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে মানুষের চলাচল স্বাভাবিক করা যায়।”

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙনের ঝুঁকি দেখা দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ভবিষ্যতে একই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে দ্রুত সংস্কারের পাশাপাশি টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!