AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

কোটচাঁদপুর-সাবদারপুর সড়কে ডাকাতি



কোটচাঁদপুর-সাবদারপুর সড়কে ডাকাতি

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর-সাবদারপুর সড়কে ডাকাতির ঘটনায় গ্রামীণ ব্যাংকের দুই কর্মীর কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করা হয়েছে। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন জহিরুল ইসলাম নামে এক ব্যাংককর্মী। তিনি বর্তমানে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চাকরিস্থল থেকে মোটরসাইকেলে করে কোটচাঁদপুরের বাসায় ফিরছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মী জহিরুল ইসলাম ও তাঁর সহকর্মী আব্দুল মমিন। পথে কোটচাঁদপুর-সাবদারপুর সড়কের পুলিশ বক্সসংলগ্ন এলাকায় ডাকাতদল তাঁদের গতিরোধ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই রাতে ডাকাতরা আরও পাঁচ থেকে ছয়টি ট্রাক থামিয়ে চালকদের কাছ থেকেও নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করে। এর আগে গত ৩০ মে রাতে একই সড়কের একই স্থানে এক আলমসাধুচালককে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে তাঁর আলমসাধু ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম বলেন, তিনি মেহেরপুরের মহাজনপুর গ্রামীণ ব্যাংক শাখায় কর্মরত। বৃহস্পতিবার অফিসের কাজ শেষ করতে কিছুটা রাত হয়ে যাওয়ায় তিনি ও ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার আব্দুল মমিন মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পথে পুলিশ বক্সের অদূরে সড়কের ওপর একটি গাছ পড়ে থাকতে দেখে তাঁরা মোটরসাইকেল থামান।

তিনি বলেন, “আমি মোটরসাইকেল থেকে নেমে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে ডাকাতরা আমাকে ধরে ফেলে মারধর শুরু করে। পরে তারা আমার কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিলে ধারালো দা দিয়ে আমার হাতে কোপ দেয়। এতে আমার হাত গুরুতর জখম হয়।”

জহিরুল ইসলাম আরও জানান, এরপর ডাকাতরা একটি ট্রাক থামিয়ে চালককে মারধর করে তাঁর টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে তাঁদের ট্রাকে আটকে রেখে আরও কয়েকটি ট্রাকের চালকদের কাছ থেকেও টাকা ও মোবাইল লুট করে পালিয়ে যায়। ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর পুলিশ এসে তাঁদের উদ্ধার করে।

তিনি দাবি করেন, ডাকাতরা তাঁর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন এবং সহকর্মী আব্দুল মমিনের কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন লুট করে। তবে ট্রাকচালকদের কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছে, তা তিনি জানেন না।

এর আগে গত ৩০ মে রাতে একই সড়কের একই স্থানে আলমসাধুচালক মোফাজ্জেল হোসেনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে কচুবোঝাই আলমসাধু ছিনিয়ে নিয়ে যায় ডাকাতরা। মোফাজ্জেল হোসেন চুয়াডাঙ্গার দর্শনা উপজেলার যদুপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় কোটচাঁদপুর থানায় মামলা হলেও এখন পর্যন্ত আলমসাধুটি উদ্ধার হয়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

একই সড়কে অল্প সময়ের ব্যবধানে আবারও ডাকাতির ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আনসারুল্লাহ হক বলেন, “আমি বর্তমানে ছুটিতে আছি। ঘটনাটি শুনেছি, তবে মামলা হয়েছে কি না, তা জানি না। বর্তমানে থানার দায়িত্বে রয়েছেন উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন। এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিস্তারিত জানা যাবে।”

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!