AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

কক্সবাজারে বন্যায় প্লাবিত ৪০ ইউনিয়ন, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি


Ekushey Sangbad
জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার
১১:৩৮ এএম, ১০ জুলাই, ২০২৬

কক্সবাজারে বন্যায় প্লাবিত ৪০ ইউনিয়ন, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জেলার অন্তত ৪০টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় প্রায় ছয় লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। একই সঙ্গে প্রধান দুই নদী বাঁকখালী ও মাতামুহুরীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, গত চার দিনের টানা বর্ষণ, পাহাড়ধস ও সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলার অধিকাংশ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে চলাচল বন্ধ রয়েছে।

পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। পাহাড়ের পাদদেশ, পাহাড়ের ঢাল এবং বন্যাপ্রবণ নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) চালু করা হয়েছে।

প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার সদর, চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া, টেকনাফ, রামু, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, ঈদগাঁও এবং মাতামুহুরী এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে বহু বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ সড়ক প্লাবিত হয়ে স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী, মগনামা এবং উজানটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকটি মাছের ঘেরে পানি আটকে থাকায় জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হয়েছে এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না হওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রয়েছে এবং অতিরিক্ত ত্রাণসামগ্রীর চাহিদা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ঢেউটিনও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরের কারণে টানা অষ্টম দিনের মতো টেকনাফ–সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার–মহেশখালী এবং পেকুয়া–কুতুবদিয়া নৌপথে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!