AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

শিশু রিফাত হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড


Ekushey Sangbad
জেলা প্রতিনিধি, বগুড়া
০৬:২৫ পিএম, ২১ জুন, ২০২৬

শিশু রিফাত হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় শিশু রিফাত হোসেনকে অপহরণের পর হত্যা এবং মরদেহ গুমের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকা আরও পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আনোয়ারুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার ১১ আসামির মধ্যে আটজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস ভোলাগাড়ী গ্রামের আবুল কালাম আজাদ ও সাগর, খাদাস তালুকদারপাড়া গ্রামের সেলিম ইসলাম ও মেহেদী হাসান এবং খাদাস মাঠপাড়া গ্রামের রাজু ইসলাম ওরফে পাঁচফুল।

অপরদিকে, ঘটনার সময় শিশু ছিল এমন সজিব হাসান, মফিজুল ইসলাম, জাহিদ হাসান, বোরহান আলী ও বায়েজিদ হোসেনকে শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাদের বয়স ১৮ বছরের বেশি হওয়ায় আদালত তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত ও রাষ্ট্রপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নিহত রিফাত হোসেন ছিলেন শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস হাটখোলা এলাকার প্রবাসী এনামুল হকের ছেলে। মামলার আসামিরা সবাই রিফাতের পরিবারের প্রতিবেশী ও পরিচিতজন।

তদন্তে উঠে আসে, প্রবাসফেরত এনামুল হকের কাছে বিভিন্ন সময় অর্থ দাবি করতেন প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদ। ঘটনার দিনও তিনি এক লাখ টাকা দাবি করেন। এনামুল হক টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই দিন বিকেলেই রিফাত নিখোঁজ হয়। পরে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, হত্যা এবং মরদেহ গুমের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

আদালতের রায়ে পাঁচ প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৮ ধারায় মৃত্যুদণ্ড এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ধারায় বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মরদেহ গুমের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আলী আসগর জানান, ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই রিফাত নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। তিন দিন পর পাশের পোয়ালগাছা গ্রামের ভদ্রাবতী সেতুর নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে রিফাতের বাবা ১১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিচার চলাকালে এক আসামি মাসুদ রানা মারা যাওয়ায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়। আদালত পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার নথি হাইকোর্ট বিভাগে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত রিফাতের বাবা এনামুল হকসহ পরিবারের সদস্যরা।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!