AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

মাঝপথে চিকিৎসক চলে যাওয়ায় ক্লিনিকে ব্যবস্থা



মাঝপথে চিকিৎসক চলে যাওয়ায় ক্লিনিকে ব্যবস্থা

অস্ত্রোপচার টেবিলে রোগী রেখে চিকিৎসকের চলে যাওয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিচালিত অভিযানে বেসরকারি অ্যাপোলো ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে একের পর এক অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তালাবদ্ধ করে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ টিম ক্লিনিকটিতে অভিযান চালায়। এ সময় চিকিৎসা সেবার মান, জনবল, অবকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা করে একাধিক অসঙ্গতির প্রমাণ পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫ জুন মুসলিমা খাতুন নামে এক নারীর জরায়ুর টিউমার অপসারণের জন্য ক্লিনিকটিতে অস্ত্রোপচার শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞ ছাড়াই অপারেশন শুরু করা হয়।

আরও বিস্ময়করভাবে অস্ত্রোপচার চলাকালীন এক পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক অপারেশন অসমাপ্ত রেখেই ক্লিনিক ত্যাগ করেন। এতে রোগীর জীবন ঝুকির মুখে পড়ে। পরে তাকে দ্রুত চুয়াডাঙ্গায় স্থানান্তর করা হলে সেখানে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকাজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনমনে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। রোগীর স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে বৃহস্পতিবার অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনার বিধি-বিধান লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।

দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অসঙ্গতি শনাক্ত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে এবং আপাতত ক্লিনিকটি বন্ধ রাখা হয়েছে। কাগজপত্র, চিকিৎসক ও জনবলের বৈধতা, সরঞ্জাম এবং সেবার মান যাচাই শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া কীভাবে এমন ঝুকিপূর্ণ অস্ত্রোপচার পরিচালিত হচ্ছিল? তাদের দাবি, মানুষের জীবন নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা যায় না। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত তদারকির ওপর জোর দিয়েছেন তারা।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!