AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

শার্শায় পুলিশ সদস্যকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা


Ekushey Sangbad
ইয়ানুর রহমান, যশোর
০২:৩৩ পিএম, ৬ জুন, ২০২৬

শার্শায় পুলিশ সদস্যকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা

যশোরের শার্শায় পুলিশের এক সদস্যকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মিন্টুসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আহত পুলিশ সদস্য মামুন হাসান ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকায় নায়েক পদে কর্মরত। মামলাটি করেছেন তার ছোট ভাই মেহেদী হাসান রয়েল।

গত ৪ জুন শার্শা থানায় দায়ের করা মামলায় আসামি করা হয়েছে মোস্তফা কামাল মিন্টুর দুই ভাই লাল্টু হোসেন ও পিন্টু হোসেন, আব্দুস সালামের দুই ছেলে সুজন হোসেন ও সবুজ হোসেন এবং মৃত আলাউদ্দীনের ছেলে টিটন হোসেনকে। তবে মিন্টুর দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে বিএনপির একটি পক্ষ তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন মামুন হাসান। গত ২৯ মে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোটরসাইকেলে করে শার্শা বাজারে যাওয়ার পথে শ্যামলাগাছি গ্রামের একটি চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তার গতিরোধ করেন। পূর্ব বিরোধের জেরে তারা তাকে গালিগালাজ করতে থাকেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, প্রতিবাদ করলে মোস্তফা কামাল মিন্টুর নির্দেশে অন্য আসামিরা মামুন হাসানকে মারধর শুরু করেন। এ সময় মিন্টু লোহার পাইপ দিয়ে তার মাথায় আঘাতের চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে বাম হাত ও বৃদ্ধাঙ্গুলিতে জখম হন। পরে মাথায় আঘাত পেয়ে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে লোহার পাইপ, কোদাল ও লোহার রড দিয়ে তার দুই পায়ে আঘাত করা হয়। এতে তার মাথা ও দুই হাঁটুতে গুরুতর জখম হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামুন হাসানকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার ফুফা আব্দুর বারীককেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে তার গলা চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া হামলার সময় টিটন হোসেন আহত পুলিশ সদস্যের পকেটে থাকা ৭ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। চিকিৎসা ও পারিবারিক পরামর্শ শেষে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এ বিষয়ে মোস্তফা কামাল মিন্টু বলেন, “আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। পুলিশ সদস্য মামুন হাসান ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। এ ঘটনায় প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। সেখানে আমার নাম ছিল না। পরে একই ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, যা পরিকল্পিত।”

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন হোসেন বলেন, “মামলার পর আমরা মিন্টুকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাই। সঙ্গে ডিবি পুলিশের একটি দলও ছিল। তবে সেখানে জনতার ভিড় সৃষ্টি হওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।”

 

একুশে সংবাদ/ এ.জে

Link copied!