শরীলে ৭৫ সেলাই নিয়ে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যায় শুয়ে কাতরাচ্ছেন মঈন উদ্দিন (৩৫)। এ ছাড়া মাথায় গুরুতর আঘাতের কারনে কথাও বলতে পারছেন না ঠিকঠাক করে।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে থানায় মামলা হওয়ার ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও আজও আসামিদের আটক করতে পারেনি পুলিশ। অন্যদিকে মামলা তুলে নিতে আসামিদের অব্যহত হুমকি ধামকিতে ভয়ে দিন কাটছে ভুক্তভোগী পরিবারটির।
জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার শালকোপা গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম ও মঈন উদ্দিন। জমি নিয়ে ওই দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জেরে গেল ২২ মে রাতে বাকবিতন্ডা হয় পাশের বাড়ির সাইফুল ইসলামের (৪০) সঙ্গে।
একপর্যায় সাইফুল ইসলাম ধারালো দা দিয়ে কোপাতে থাকেন মঈন উদ্দিনকে। এ সময় তাকে বাঁধা দিতে আসেন মঈন উদ্দিনের স্ত্রীর লাখী খাতুন (৩০) ও ভাই ইয়াকুব আলী (২৮)। সে তাদেরকে ও মেরে রক্তাক্ত করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় স্বজনরা তাদেরকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
চিকিৎসকরা দুই জন চিকিৎসা দিয়ে কোটচাঁদপুর হাসপাতালে ভর্তি রাখেন।আর মঈন উদ্দিনের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে যশোর হাসপাতালে রেফার্ড করেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে সে শরীলে ৭৫ সেলাই নিয়ে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যায় শুয়ে কাতরাচ্ছেন। অন্যদিকে মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হওয়ায় কথাও বলতে পারছেন না ঠিকঠাক করে।
অন্যদিকে মামলা তুলে নিতে আসামিদের অব্যহত হুমকি ধামকিতে ভয়ে দিন কাটছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মঈন উদ্দিনের স্ত্রীর লাখী খাতুন (৩০)। তিনি বলেন,ঘটনার দিন কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসলে,চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে যশোর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
এরপর ওখানে ৪ দিন চিকিৎসা নিয়ে কোটচাঁদপুর হাসপাতালে এসে ভর্তি হয়েছি। এখানে আজ ১২ দিন হল চিকিৎসা নিচ্ছেন আমার স্বামী। তবে এখনও কাতরাচ্ছেন শরীলের ৭৫ সেলাই নিয়ে। আর মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হওয়ায়, এখনও কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এদিকে ঘটনাটি নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে ১২ দিন হয়ে গেল। তারপরও এখনও পর্যন্ত কোন আসামিকে ধরতে পারেনি পুলিশ। যে কারনে আসামিরা লোকজনের মাধ্যমে মামলা তুলে নিতে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। এতে করে আমরা নিরাপত্তা হীনতায দিন পার করছি।
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুরের সাবদারপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক এস আই তকিবুর রহমান কোন মন্তব্য করতে চাননি।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

