মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজায় অংশ নিতে ভোলায় বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম হয়েছে। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত হন।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে তার মরদেহ ভোলায় আনা হয়। বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে হেলিকপ্টারটি অবতরণ করলে সেখানে অপেক্ষমাণ নেতাকর্মী, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান।
পরে মরদেহ একটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে করে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়। সেখানে দুপুর আড়াইটার পর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জানাজা শেষে তার জন্মস্থান জেলার দক্ষিণ দীঘলদি ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে মরদেহ নেওয়া হবে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

