বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে রোজা। রমজানকে সামনে রেখে প্রথম তারাবিতেই পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা-র মসজিদে-মসজিদে মুসল্লিদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। বড়দের পাশাপাশি নামাজে এসেছে ছোট্ট শিশুরাও। মসজিদে আগত মুসল্লিরা নামাজে আল্লাহর দরবারে নিজেদের সঁপে দেন।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। এই মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে রোজা পালন করেন মুসলমানরা।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। মসজিদগুলোতে তারাবির নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্বের মুসলিমদের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে দেখা গেছে, এশার নামাজ শুরুর আগেই মুসল্লিরা মসজিদে এসে সারিবদ্ধভাবে বসেছেন। অনেকেই জায়নামাজ ও তসবিহ সঙ্গে এনেছেন। কেউ কেউ নামাজের আগে আতর ব্যবহার করছেন এবং পরিচিতদের দিচ্ছেন। মসজিদের ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেকে বাইরে চট বিছিয়ে তারাবির সালাত আদায় করেছেন। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় আধ্যাত্মিক আবহে শুরু হওয়া এই তারাবির নামাজের মধ্য দিয়ে মুসলিম উম্মাহ আনুষ্ঠানিকভাবে রমজানের ইবাদত-বন্দেগির যাত্রা শুরু করল।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ জামে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করতে আসা মেহেদী হাসান আল-কাদরী বলেন, মুসলমানদের কাছে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। তিনি আরও বলেন, “আমি পুরো রমজানজুড়েই এই মসজিদে সালাত আদায় করি। অনেক মানুষের সঙ্গে একত্রে সালাত আদায় করার মধ্যে অন্যরকম শান্তি রয়েছে। এক মাসের সিয়াম সাধনা শেষে মুসলমানরা উদযাপন করবেন পবিত্র ঈদুল ফিতর।”
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

