AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
যশোর-৪ আসন

সংখ্যালঘু ভোটাররা গড়ে দিতে পারেন ফলাফলের পার্থক্য



সংখ্যালঘু ভোটাররা গড়ে দিতে পারেন ফলাফলের পার্থক্য

যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া উপজেলা ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনের নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে পথসভা ও গণসংযোগ চালাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের আইন মেনে মাইকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে এলাকার ভোটাররা মনে করছেন, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমিত থাকবে দুই প্রার্থীর মধ্যে এবং জয়ী প্রার্থীর ঠিক হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে সংখ্যালঘু ভোটাররা।

এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৯। এর মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটার প্রায় ৯০ হাজার। এক সময়ে এই ভোট ছিল আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ভোটব্যাংক, তবে এবারের নির্বাচনে প্রার্থীরা সংখ্যালঘু ভোট টানতে দ্বারে দ্বারে ছুটে চলেছেন। তারা তাদের কাছে জলাবদ্ধতার সমাধান, ভৈরব নদের নাব্যতা ফেরানো, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা গঠনসহ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

পুরুষ ভোটারদের পাশাপাশি নারী ও সাধারণ আওয়ামী লীগ সমর্থক ভোটারও ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত।

এবারের নির্বাচনে মোট ৮ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। তারা হলেন:

>ধানের শীষ: ফারজী মতিয়ার রহমান

>দাঁড়িপাল্লা: অধ্যাপক গোলাম রসুল

>হাতপাখা: বায়োজিদ হোসেন

>লাঙ্গল: জহুরুল ইসলাম

>রকেট: সুকৃতি কুমার

>দেয়াল ঘড়ি: আশেক এলাহী

>মটর সাইকেল: নাজিম উদ্দিন

স্থানীয়দের মতে, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে। অভয়নগর উপজেলার প্রবীণ ব্যবসায়ী বদর উদ্দিন বলেন, “এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রধান ভোট ব্যাংক ছিল সংখ্যালঘু ভোট। যিনি তাদের টানতে পারবেন, তিনিই জয়ী হবেন।”

ধানের শীষ প্রার্থী ফারজী মতিয়ার রহমান দীর্ঘদিন বিএনপির নেতৃত্বে থাকার কারণে অভয়নগরে তার শক্ত সাংগঠনিক অবস্থান রয়েছে। অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লার অধ্যাপক গোলাম রসুল দলীয় মনোনয়ন আগে থেকে নিশ্চিত করায় নির্বাচনী প্রচারণায় কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া হাতপাখা প্রতীকেরও কিছু ভোট থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

জামায়াতের নারী কর্মীরা পাড়া-মহল্লায় ঘুরে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে অবস্থান তৈরির চেষ্টা করেছেন। নতুন ভোটারের একটি বড় অংশও দাঁড়িপাল্লার দিকে ঝুঁকেছেন। তবে বিএনপির প্রার্থী ফারজী মতিয়ার রহমানের শক্তি তার সংগঠিত কর্মী বাহিনী এবং নিজস্ব ভোটাররা।

সংখ্যালঘু ভোটাররা সাধারণত নিরব থাকলেও গ্রামে ঘুরে দেখা যায়, তারা তাদের ভোটের বিষয়ে এখনও সমন্বিত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। তবে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, “যে ব্যক্তি সবসময় আমাদের পাশে থাকবে এবং সৎ ও উন্নয়নমূলক কাজ করবে, তাকে আমরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করব।”

ফলে সংখ্যালঘু ভোটারদের সমর্থনই এই আসনের নির্বাচনী ফলাফলের গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তৈরি করতে পারে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!