কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের হাতে নিহত কলেজ শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ানের মূল হত্যাকারী ছিনতাইকারী মিরাজকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। রিমান্ড চলাকালে পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাব ও আরএনবির প্রহরায় তাকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এ পর্যন্ত মোট ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ জন কিশোরগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। স্বীকারোক্তিদাতাদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে।
জানা যায়, গত ৩০ জানুয়ারি রাত ১টার দিকে ভৈরব আউটার সিগন্যাল এলাকা থেকে ঢাকা পল্লবী কলেজের শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ানের মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। ছিনতাইকারীরা তাকে হত্যা করে মরদেহটি রেললাইনে ফেলে যায়, যাতে ঘটনাটি ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু বলে চালিয়ে দেওয়া যায়।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহত আবু সুফিয়ানের বাবা রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্তে নামে। এ সময় ১৪টি মামলার পলাতক আসামি ছিনতাইকারী মিরাজ ও ইব্রাহিমকে আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যে মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয় এবং জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ৬ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, মিরাজ একাই তিনটি ছিনতাই দলের নেতৃত্ব দিত। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সাঈদ আহমেদ।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

