আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার ১২তম দিনে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করতে তানোর পৌরসভা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বিশাল প্রচার মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে পৌর সদর ডাকবাংলো মাঠ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে থানা মোড়ে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
পৌর বিএনপির আহ্বায়ক একরাম আলী মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ধানের শীষের প্রার্থী, মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীনের সুযোগ্য সন্তান অথয় ফাহিম শরীফ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সরনজাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক খান, মহিলা দলের সভাপতি পলি আক্তার, সাবেক সহসভাপতি ওমর আলী, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরসাদ আলী, সদস্য সচিব আব্দুস সবুর, ড্যাব নেতা ডা. মিজানুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মুঞ্জুর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর ও সহসভাপতি আবু সাঈদ বাবু, আব্দুল মান্নান, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি আব্দুল মালেক মণ্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জুল হোসেন তোফা, ইয়াসমিন আলী, বিএনপি নেতা ওবায়দুর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কুরবান আলী, বাসারত, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদ মণ্ডল, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শরিয়তুল্লাহ, জেলা যুবদলের সদস্য রাশেদুল ইসলাম, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সাইদুর রহমান, সদস্য সচিব জহুরুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক নুর হাসান মাহমুদ রাজা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ করিম, সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুর মোল্লা, কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক আনারুল ইসলাম, সদস্য সচিব আফজাল হোসেন, পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর মশিউর রহমান মুর্শেদ, ইয়াহিয়া, পৌর ছাত্রদল নেতা শাহিন সরকার, যুবদল নেতা আতিকুর রহমান লিটন, আবুল কাশেম, টিপু সুলতান, গোলাম মোস্তফা, মুনসুর রহমান, সেলিম উদ্দিন, রুস্তম আলী, আইয়ুব ও আবদুলসহ আরও অনেকে।
এর আগে দুপুরের পর থেকে পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড ও বিভিন্ন গ্রাম থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা ডাকবাংলো মাঠে এসে জড়ো হন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে জনগণ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে মুখিয়ে আছে। তবে আমাদের আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। এই নির্বাচন আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ভোটের আর মাত্র ১০ দিন বাকি। তাই নিজ নিজ বাড়ি ও গ্রামের ভোটারদের কাছে বারবার গিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, যারা ভিন্ন কিছু ভাবছেন বা অভিমান করে আছেন, তাদের বোঝাতে হবে—ধানের শীষে ভোট দেওয়া জরুরি। মনে করা যাবে না যে এই আসন কেউ নিতে পারবে না। প্রতিপক্ষরা বসে নেই, তাই আমাদেরও বসে থাকার সুযোগ নেই। এই নির্বাচন একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের নির্বাচন। বিএনপি সরকার গঠন করলে কী করতে চায় এবং আমাদের প্রার্থী এলাকার জন্য কী করতে চান, তা ভোটারদের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।
বক্তারা বলেন, এই আসনে টানা তিনবারের নির্বাচিত এমপি ছিলেন প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক। তার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে চান তার ছোট ভাই, প্রার্থী শরীফ উদ্দীন। আরেকটি পক্ষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে নিজেদের পকেটে নিতে চায়। কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো দলের নয়—এটি সারা দেশের ছাত্র-জনতার আন্দোলন।
সমাবেশে পৌর এলাকার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটার উপস্থিত ছিলেন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

