আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমঝোতা অনুযায়ী আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী গোলাম সারোয়ার তুষারকে ছেড়ে দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তবে ২১ জানুয়ারি নির্ধারিত সময়ে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মোঃ আমজাদ হোসাইন দলীয় নেতাকর্মীদের বাধার মুখে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। এতে একই আসনে জোটের দুইজন প্রার্থী থেকে যায়।
এরপর থেকে পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন এনসিপির সাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী গোলাম সারোয়ার তুষার। তবে মাঠে দেখা যায়নি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মোঃ আমজাদ হোসাইনকে। যদিও তার নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণা চালিয়ে যান এবং জোটপ্রার্থীর পক্ষে কোনো প্রচারণায় অংশ নেননি। এতে পলাশ আসনের জোট প্রার্থী ও জামায়াতের ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং জোটের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে গত ২৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি আনুষ্ঠানিক পত্র দেন। বৃহস্পতিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জোটের প্রার্থী গোলাম সারোয়ার তুষার।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের স্বার্থে নরসিংদী-২ আসনটি এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তিগত বা স্থানীয় কারণে জামায়াত প্রার্থী সময়মতো মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারলেও তিনি বর্তমানে দলের আনুষ্ঠানিক প্রার্থী নন। নির্বাচনী স্বচ্ছতা রক্ষা এবং ভোটারদের বিভ্রান্তি এড়াতে ব্যালট পেপারে জামায়াতে ইসলামীর নির্ধারিত প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ না রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

