বোয়ালখালীতে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণায় ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগটি সত্য নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দিনভর ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বোয়ালখালীতে অবস্থানরত সেনাবাহিনী ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মো. রাসেল।
সেনাবাহিনীর তদন্ত দলের মতে, ককটেল বিস্ফোরণ হলে নির্দিষ্ট কিছু আলামত বা ‘আফটার শক’ থেকে থাকে। তবে ঘটনাস্থলে তেমন কোনো আলামতের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের বক্তব্য ও শব্দের তীব্রতা বিশ্লেষণ করে সেনাবাহিনী নিশ্চিত হয়েছে যে, সেটি মূলত আতশবাজি বা ‘চকলেট বাজি’র শব্দ ছিল।
মেজর মো. রাসেল বলেন,“আমরা ঘটনাস্থলে ককটেল হামলার কোনো প্রমাণ পাইনি। চারটি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রচারণাকালে খুবই স্বল্প মাত্রার একটি আতশবাজি সদৃশ শব্দ হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে একজন জামায়াত কর্মীকে অভিযুক্ত করা হলেও তদন্তে তাকে নির্দোষ পাওয়া গেছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার সময় ওই ব্যক্তি পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। শব্দ শুনে তিনিও উৎসুক জনতার সঙ্গে ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান।
মেজর রাসেল বলেন,“ঘটনার সময় এক ব্যক্তির গতিবিধি কিছুটা সন্দেহজনক মনে হয়েছে, যাকে বিএনপি বা জামায়াত—কোনো পক্ষের নেতারাই শনাক্ত করতে পারেননি। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তারা কোনোভাবেই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এটি নিশ্চিত।”
উল্লেখ্য, গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে নির্বাচনী প্রচারণাকালে ককটেল হামলার অভিযোগ করেন বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজিজুল হক।
চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ দলীয় জোট সমর্থিত এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল ইসলাম আরিফ, জামায়াত সমর্থিত এক স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ আরও কয়েকজন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

