মারা গেছেন কোটচাঁদপুরের সেই আগুনে পুড়া ১৮ মাস বয়সি কন্যা শিশু ছোয়া খাতুন। ১০ ঘন্টা মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে রবিবার রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সে ছিল বেকারি শ্রমিক রাকিব হোসেনের ছোট মেয়ে।
ছোয়ার চাচা বিল্লাল হোসেন বলেন,রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে ছোয়া খাতুনের মা রেশমী খাতুন তাঁর শোবার ঘরে কয়েল জ্বালিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখে পাশের বাড়িতে যান। এর কিছুক্ষন পর জানতে পারেন ঘরে আগুন লাগার কথা। এরপর ছুটে গিয়ে মেয়ে ছোয়াকে আগুনের মধ্য থেকে উদ্ধার করেন। তবে তাঁর মধ্যে শরীলের ৭০ ভাগ পুড়ে যায় ছোয়ার। পুড়ে যায় তাদের বসত ঘর।
এরপর তাঁকে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তাঁর পিতা-মাতা। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকরা তাকে দেখে চিকিৎসা দেন। তবে অবস্থা খারাপ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর হাসপাতালে রেফার্ড করেন ওই কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা। এরপর ছোয়াকে যশোর হাসপাতালে নেওয়ার পর তারা চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। তারপর রাত ২ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
ছোয়া খাতুন কোটচাঁদপুরের বেকারি শ্রমিক রাকিব হোসেনের ছোট মেয়ে। সে উপজেলার কাঠালিযা গ্রামের বাসিন্দা। এদিকে ওই ঘটনায় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তার বসত ঘরসহ সব কিছু ।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান বলেন,খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। তদন্ত চলছে,তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

