AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

রাজশাহীতে ৮.৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা, সর্বনিম্ন রেকর্ড, বিপর্যস্ত জনজীবন


Ekushey Sangbad
জেলা প্রতিনিধি, রাজশাহী
০৫:২১ পিএম, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

রাজশাহীতে ৮.৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা, সর্বনিম্ন রেকর্ড, বিপর্যস্ত জনজীবন

ঘন কুয়াশা ও দিনের তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে কমে আসায় রাজশাহী অঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে রাজশাহীতে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল শতভাগ।

গত তিন দিন ধরে পদ্মা পাড়ের এই জেলায় সূর্যের দেখা নেই। ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে শীতের দাপট দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর প্রভাব পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবনে।

শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষ। শীতবস্ত্রের অভাবে ছিন্নমূল মানুষেরা চরম কষ্টে রাত কাটাচ্ছেন। কেউ কেউ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

চারঘাট উপজেলা থেকে কাজের সন্ধানে রাজশাহী নগরীর তালাইমারী এলাকায় আসা দিনমজুর নাজমুল বলেন, “আজ প্রচণ্ড ঠান্ডা। মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না, তাই কাজও পাওয়া যায়নি।” তিনি জানান, আগে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কাজ মিললেও এখন শীতের কারণে বেশিরভাগ দিনই কাজ পাওয়া যাচ্ছে না।

রিকশাচালক জাকির আলী বলেন, “হুহু করে ঠান্ডা বাতাস বইছে। শরীর কাঁপছে। খুব কষ্টে দিন কাটছে।”

নগরীর ভদ্রা বস্তি এলাকার সত্তর বছর বয়সী মর্জিনা বেগম বলেন, “গায়ে দেওয়ার মতো ভালো কাপড় নেই। আগে কেউ কেউ কম্বল দিত, এবার কেউ আসেনি। এই শীতে টিকে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে।”

শীতের প্রভাবে সন্ধ্যা নামার পরপরই নগরী ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। বিকেলের পর থেকেই বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

রাজশাহীর বানেশ্বর এলাকার বাসিন্দা তুষার আলম বলেন, “শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেশি। খোলা মাঠ আর কুয়াশার কারণে গ্রামে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।”

বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার তুলনামূলক বেশি।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মেঘ ও ঝিরিঝিরি বৃষ্টির প্রভাব কেটে গেলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম বলেন, “বুধবার রাত সোয়া তিনটার দিক থেকে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করে। ভোরের পর থেকে কুয়াশার আধিক্য দেখা যায়। কুয়াশার কারণে ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মতো অনুভূতি হচ্ছে। রাজশাহীসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন বিরাজ করতে পারে।”

 

একুশে সংবাদ/ওজি

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!