AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

পঞ্চগড়ে কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন


Ekushey Sangbad
জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়
১০:১৬ এএম, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

পঞ্চগড়ে কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টানা কুয়াশা ও তীব্র শীতের প্রভাবে জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দিনের বড় একটি সময় সূর্যের দেখা মিলছে না, আর তাপমাত্রা নেমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন দিনমজুর, নিম্নআয়ের মানুষ ও যানবাহন চালকেরা।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৯৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১১ থেকে ১২ কিলোমিটার। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় সড়ক, মাঠ ও খাল-বিল ঢেকে থাকায় দৃষ্টিসীমা নেমে আসে অনেকটাই। ফলে দিনের আলোতেও যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

এর আগের দিন মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রির বেশি ওঠেনি, আর বাতাসের আর্দ্রতা ছিল একইভাবে উচ্চমাত্রায়।

টানা কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ভেঙে পড়েছে। ভোরবেলা কাজে বের হতে পারছেন না অনেক মানুষ। শীতের তীব্রতা কমাতে বিভিন্ন এলাকায় খড়কুটো বা কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকে শিশির ঝরতে থাকায় রাতের শীত আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

সদর উপজেলার জগদল এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, সকালে কাজের জন্য বের হওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে। কাজ না করলে সংসার চলে না, আবার ঠান্ডায় কাজ করাটাও বড় কষ্ট।

ধাক্কামারা এলাকার অটোরিকশা চালক আশরাফুল ইসলাম জানান, ঘন কুয়াশার কারণে সকালের দিকে সামনে ঠিকভাবে দেখা যায় না। হেডলাইট জ্বালিয়েও গাড়ি চালাতে ভয় লাগে। যাত্রী কম থাকায় আয়ও অনেকটাই কমে গেছে।

জালাসী এলাকার গৃহিণী রুবি বেগম বলেন, শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে দুশ্চিন্তা বেড়ে গেছে। সন্ধ্যা নামলেই ঠান্ডা এতটাই বেড়ে যায় যে ঘরের ভেতরেও থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, চলতি শীত মৌসুমে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গত ১১ ডিসেম্বর। সেদিন তাপমাত্রা নেমে আসে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিসেবে ধরা হয়।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, ১১ থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। সাময়িকভাবে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও আবারও তা নিম্নমুখী হচ্ছে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে এলাকায় মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!