AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

অবৈধ বাঁশ নিধন হচ্ছে টাকার বিনিময়ে


Ekushey Sangbad
আলীকদম উপজেলা প্রতিনিধি, বান্দরবান
০৬:৪৯ পিএম, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫

অবৈধ বাঁশ নিধন হচ্ছে টাকার বিনিময়ে

সরকারি নিলাম প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা মাতামুহুরি রিজার্ভের বাঁশমহল কার্যত পরিণত হয়েছে অবৈধ বাঁশ নিধন ও পাচারের নিরাপদ জোনে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, রিজার্ভের বাঁশকে তৈন রেঞ্জের আওতাধীন দেখিয়ে ভুয়া দাখিলার (অনুমতিপত্র) মাধ্যমে নদীপথে ও সড়ক পাচার করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই পাচারচক্রের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার আরিফুল ইসলাম। যার বিরুদ্ধে প্রতিটি বাঁশের দাখিলায় সরকারি রাজস্বের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

বাঁশ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, মাতামুহুরি রিজার্ভের বাঁশকে কাগজে কলমে তৈন রেঞ্জের সাইম্প্রা, তৈনফা,মাঙ্গু, মৌজার এলাকার দেখিয়ে অনুমতিপত্র ইস্যু করা হয়। অথচ বাস্তবে ওইসব এলাকা থেকে কোনো বাঁশ সংগ্রহ করা হয় নামমাত্র। অধিকাংশ বাঁশ আছে মাতামুহুরি রিজার্ভ এলাকা থেকে।

গত ১৭ নভেম্বর মাতামুহুরি নদীর কলারঝিড়ি এলাকায় দাখিলাবিহীন বাঁশ জব্দ হওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে যাচাই করে দেখা যায়, জব্দকৃত বাঁশগুলো রিজার্ভ এলাকা থেকেই আনা হয়েছে। কিন্তু নদী পথে আসা এসব বন কর্মকর্তা- কর্মচারীদের ম্যানেজ করে আনা হয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এই অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিট অফিস থেকে শুরু করে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় পর্যন্ত নিয়মিত অর্থ লেনদেন হয়। স্থানীয় বাসিন্দা অংশিমং মার্মা জানান, আমার এক পরিচিতকে সাইম্প্রা মৌজার ২০ হাজার বাঁশের দাখিলা দেওয়া হলেও সব বাঁশই কাটা হয়েছে মাতামুহুরি রিজার্ভ থেকে। বিষয়টি ডিএফও অফিস পর্যন্ত সবাই জানলেও না জানার ভান করে।

বাঁশ ব্যবসায়ী ফারুক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রিজার্ভের বাঁশ তৈন রেঞ্জের দাখিলায় নেওয়া হচ্ছে। বড় ব্যবসায়ীরা ভুয়া কাগজে পার পেয়ে যাচ্ছে, আর আমাদের ছোট ব্যবসায়ীরা ফেঁসে যাচ্ছে।

অভিযুক্ত তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার আরিফুল ইসলাম বলেন, কিছু বাঁশ নিলে আমরা বাঁচি, সাধারণ মানুষও বাঁচে।

তবে রিজার্ভের বাঁশ কীভাবে তৈন রেঞ্জের দাখিলায় যাচ্ছে—এ প্রশ্নে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পরবর্তীতে তিনি উত্তর না দিয়ে নীরব থেকেছেন ।

এদিকে, এসব অভিযোগের বিষয়ে লামা বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোস্তাফিজুর রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনিও কোনো মন্তব্য করেননি।

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!