রমজানকে ঘিরে প্রায় প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। পিছিয়ে নেই ফলের বাজারও। রমজানের শুরু থেকেই পাবনার ভাঙ্গুড়ায় হালিতে কলার দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। দাম নিয়ন্ত্রণে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভোক্তারা।
তবে উপজেলার পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয় বলে তাদের অতিরিক্ত দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
শনিবার (১৬ মার্চ) বিকেলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার শরৎনগর হাটে দেখা যায়, দেশি কলা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা হালি, চাপা কলা ২৫-৩০, সাগর কলা ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজানের কারণে বেড়েছে পাকা কলার দাম। কলা বুঝে হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫-৪০ থেকে টাকা দরে! ফলে এই কলা কিনতে গিয়েই অনেকই হিমশিম খাচ্ছেন।
উপজেলার শরৎনগর বাজারের কলা ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘রোজা এলে কলার দাম কিছুটা বাড়তি থাকে। আমাদেরও পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হয়। সে জন্য বাড়তি দামে বিক্রি করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।’
এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী ন্যায্যমূল্যে প্রাপ্তি এবং নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকি কার্যক্রম চলমান আছে।
একুশে সংবাদ/এস কে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

