রাজনীতিতে নেতৃত্বের প্রকৃত মূল্যায়ন ঘটে কর্মীদের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে। সেই মানবিকতারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা সেলিমুজ্জামান সেলিম।
শুক্রবার (১৯ জুন) শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মুকসুদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মরহুম মোস্তফা গাজীর কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারতের সময় তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান, সাধারণ সম্পাদক তারেকুল ইসলাম রাজু, মুকসুদপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সাজ্জাদ করিম মন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মতে, একজন রাজনৈতিক নেতার কাছে তাঁর কর্মীরা শুধু সংগঠনের অংশ নন, বরং একটি পরিবারের সদস্য। মরহুম মোস্তফা গাজীর প্রতি সম্মান জানাতে সেলিমুজ্জামান সেলিমের এই উপস্থিতি সেই পারিবারিক বন্ধন ও রাজনৈতিক সহমর্মিতারই বহিঃপ্রকাশ।
দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা মোস্তফা গাজী স্থানীয় রাজনীতিতে একজন পরিচিত মুখ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সেই শোক ভাগ করে নিতে এবং মরহুমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কবর জিয়ারতে অংশ নেন সংসদ সদস্য সেলিম।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজনৈতিক ব্যস্ততার ভিড়েও একজন নেতার এমন মানবিক উপস্থিতি কর্মীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় বহন করে। এটি শুধু একটি কবর জিয়ারত নয়, বরং প্রয়াত এক সহযোদ্ধার প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও স্মরণ প্রকাশের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
দোয়া ও মোনাজাত শেষে মরহুম মোস্তফা গাজীর আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। উপস্থিত সবাই আল্লাহর কাছে তাঁর জন্য জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব এবং পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ও শক্তি দানের জন্য প্রার্থনা করেন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

