ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২২, ১৩ মাঘ ১৪২৮

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

ফেব্রুয়ারি থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে রাতেও ফ্লাইট চলাচল করবে


Ekushey Sangbad
উপজেলা প্রতিনিধি
১১:৩৬ এএম, ১৫ জানুয়ারি, ২০২২
ফেব্রুয়ারি থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে রাতেও ফ্লাইট চলাচল করবে
ছবি একুশে সংবাদ

ছবি একুশে সংবাদ

পেকুয়ো প্রতিনিধি: বিশ্বের দীর্ঘতম সৈকতের শহর কক্সবাজার বিমানবন্দরে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ফ্লাইট ওঠানামা করলেও ফেব্রুয়ারি মাস থেকে রাতে বিমান চলাচল শুরু হবে। এতে করে পর্যটকরা সারাদিন কক্সবাজার কাটিয়ে রাতের ফ্লাইটে ফিরতে পারবে। ফলে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের যাতায়াতে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলে জানান জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি আব্দুস শহীদ।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার বিমানবন্দরের আধুনিকায়নের কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।


আব্দুস শহীদ জানান, কক্সবাজারের এই বিমানবন্দরকে ঘিরে তৈরি হবে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব। সমুদ্র ছুঁয়ে নামবে বিমান। এটি বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হলে স্থানীয়দের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক বাড়বে।


সিভিল এভিয়েশনের প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন বলেন, করোনার কারণে বিদেশি টেকনিক্যাল পরিদর্শকরা আসতে না পারায় রাতে ফ্লাইট চলাচল পিঁছিয়েছে। এই বিমানবন্দর দিনে-রাতে ফ্লাইট চলাচলের উপযোগী এখন। ফেব্রুয়ারিতেই রাতে ফ্লাইট চলাচল শুরু হবে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, পুরোদমে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ৬৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। কোভিডের কারণে কিছুটা বাড়তি সময় লাগলেও আশা করছি নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারব।

বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, এ বিমান বন্দরটির রানওয়ে ৬ হাজার ৭৭৫ ফুট থেকে ৯ হাজার ফুট এবং প্রস্থ ১২০ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ২০০ ফুট করা হয়েছিল ২০১৭ সালে। রানওয়েটির ১ হাজার ৩০০ ফুট থাকবে বাঁকখালী নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায়। এজন্য জোরে-শোরে কাজ চলছে। মূলতঃ নদীর বুক ছুঁয়েই বিমান ওঠানামা করবে এখানে। রানওয়ে রক্ষাকারী বাঁধের পর হবে রানওয়ের শোভাবর্ধন ও নির্দেশক বাতি স্থাপনের কাজ।

সুত্রে আরো জানা গেছে, বর্তমানে এয়ারফিল্ড গ্রাউন্ড, আলোক ব্যবস্থা স্থাপন প্রায় শেষের পথে। একসঙ্গে এক হাজার যাত্রীকে সেবা দিতে এক লাখ ১০ হাজার বর্গফুটের প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। বোয়িং ৭৭৭- এর মতো বিমান অবতরণে উপযুক্ত অবকাঠামো নির্মাণে ব্যস্ত নির্মাণ শ্রমিকরা।এখানে ট্যাক্সিওয়ে উড়োজাহাজ পার্ক করা যাবে। থাকবে ভিআইপিদের জন্য বিশেষ সুবিধা।

উল্লেখ্য, বিশ্বের দরবারে কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে ২০১৭ সালে সম্প্রসারিত এই রানওয়েতে বিমানের বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণের মধ্যদিয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সময়ই রানওয়েটি বিশ্বমানে উন্নীত করার নির্দেশ দেন তিনি। তারই অংশ হিসেবে ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্প নেয় সরকার। এতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

একুশে সংবাদ/শাহাদত হোছাইন/এইচ আই