বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে স্পেন। প্রথমার্ধে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের দেখা পেয়েছে লা রোহা। ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে পেদ্রো পোরোর গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন।
গোলটি অনেকটাই নিজের প্রচেষ্টায় তৈরি করেন পোরো। দানি ওলমোর সঙ্গে দ্রুত ওয়ান-টু পাস খেলে ফ্রান্সের বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। এরপর দারুণ স্থিরতায় ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন স্পেনের এই ডিফেন্ডার।
এর আগে ম্যাচের ২০তম মিনিটে লামিন ইয়ামালকে ফ্রান্সের ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ২২তম মিনিটে সেই স্পট-কিক থেকে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।
প্রথমার্ধে নিজেদের চেনা ছন্দে দেখা যায়নি ফ্রান্সকে। গোল হজমের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও স্পেনের সংগঠিত রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হয় দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।
ফরাসিদের দুর্ভাগ্য আরও বাড়ে প্রথমার্ধেই। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা।
এদিকে ম্যাচে রেফারিংয়ের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে ফ্রান্সের খেলোয়াড়দের। লুকাস দিনিয়ের বিপক্ষে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত, উসমান দেম্বেলের পক্ষে দেওয়া একটি ফ্রি-কিক ভিএআরের মাধ্যমে বাতিল হওয়া এবং জুলস কুন্দেকে ঘিরে আরেকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে ফরাসি শিবিরে হতাশা ও ক্ষোভ স্পষ্ট। এখন ম্যাচে ফিরতে হলে দ্বিতীয়ার্ধের বাকি সময়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনই একমাত্র ভরসা ফ্রান্সের।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

