AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

জাবিতে সংস্কারসহ পোষ্য কোটা বহাল: ৪৫% নম্বরে ভর্তি


Ekushey Sangbad
রাব্বি হাসান, জাবি প্রতিনিধি
১২:২২ পিএম, ৯ মার্চ, ২০২৬

জাবিতে সংস্কারসহ পোষ্য কোটা বহাল: ৪৫% নম্বরে ভর্তি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ‘প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় সন্তান ভর্তি’ বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আহ্বানে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত সভায় আবাসিক হল সংসদগুলোর ভিপি, জিএস ও এজিএসরা অংশ নেন।

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানান, প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় ভর্তির ক্ষেত্রে বর্তমান প্রশাসন বেশ কিছু সংস্কার এনেছে, যাতে এটি আরও ন্যায্য ও যৌক্তিক পর্যায়ে আসে। তিনি বলেন, আগে ঔরসজাত সন্তানের পাশাপাশি দত্তক সন্তান, ভাই-বোন ও স্বামী-স্ত্রীও এই সুবিধায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতেন। তবে বর্তমানে শুধু ঔরসজাত সন্তানদের জন্যই এ সুযোগ রাখা হয়েছে।

উপাচার্য আরও জানান, আগে বিভাগ ও ইনস্টিটিউটগুলোতে এই কোটা নির্ধারিত না থাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি হতো। বর্তমানে সংস্কারের মাধ্যমে প্রতি বিভাগ বা ইনস্টিটিউটে সর্বোচ্চ চারজন নির্ধারণ করা হয়েছে এবং মোট সংখ্যা ৪০ জনে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়া নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যে বিভাগ বা ইনস্টিটিউটে কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী কর্মরত, সেই বিভাগে তার সন্তান ভর্তির সুযোগ থাকবে না। একই সঙ্গে ভর্তির জন্য ন্যূনতম পাশ নম্বরও বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে শতকরা ৩৫ নম্বর পেলেই ভর্তি হওয়া যেত, সেখানে চলতি শিক্ষাবর্ষে তা বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশ করা হয়েছে। গত শিক্ষাবর্ষে এই সীমা ছিল ৪০ শতাংশ।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা উপাচার্যের কাছ থেকে সংস্কার প্রক্রিয়ার বিস্তারিত শুনে বিষয়টিকে স্বাগত জানান।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আমন্ত্রণ সত্ত্বেও শিক্ষক সমিতি, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়ন সভায় অংশ নেয়নি। তারা চিঠির মাধ্যমে জানায়, প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধায় সন্তান ভর্তি বিষয়টি ইতোমধ্যে ‘মীমাংসিত’। একই কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নেতৃবৃন্দও সভায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, “প্রশাসন যে ‘মীমাংসিত’ বলেছে, তা সম্ভবত গত বছর বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নেওয়া সিদ্ধান্তকে বোঝাতে চেয়েছে। সে সময় ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন সংগঠন সংস্কারের বিষয়ে মত দিয়েছিল। এটি শুধু জাকসুর একক সিদ্ধান্ত নয়, বরং সকল স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আজকের সভায় জাকসু অংশ নেয়নি কারণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার উপস্থিত ছিলেন না। আমরা চেয়েছিলাম সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক এবং এজন্য সভার তারিখ পেছানোর অনুরোধও করেছিলাম। তবে প্রশাসন আজই সভা করেছে। আমাদের মতে, ৪৫ শতাংশ নম্বর ও কোটা ইস্যুসহ এসব বিষয়ে সকল স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।”

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এবিএম আজিজুর রহমান এবং উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) সৈয়দ আলী রেজা প্রমুখ।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - ক্যাম্পাস

Link copied!