মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য উল্লেখযোগ্য অঙ্কের গবেষণা সহায়তা প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সেল।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে ১৫৯ জন শিক্ষককে মোট ১ কোটি ৮৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা গবেষণা অনুদান দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মাস্টার্স পর্যায়ের গবেষণা কার্যক্রমে উৎসাহ দিতে ২৩৬ জন শিক্ষার্থীকে সাড়ে ১০ হাজার টাকা করে মোট প্রায় ২৫ লাখ টাকা গবেষণা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া গবেষণার উচ্চতর পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সহায়তার অংশ হিসেবে ১০ জন পিএইচডি গবেষককে মাসিক ৪০ হাজার টাকা করে ফেলোশিপ প্রদান করা হচ্ছে।
গবেষণা সেলের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, গবেষণা সহায়তা পাওয়া মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে ৬ জন, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগ থেকে ১৮ জন, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে ৩ জন, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে ২৬ জন, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ থেকে ৯ জন, ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স বিভাগ থেকে ২২ জন, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে ১৭ জন, ফার্মেসি বিভাগ থেকে ২৭ জন, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ থেকে ১৭ জন, রসায়ন বিভাগ থেকে ২৪ জন, গণিত বিভাগ থেকে ২৩ জন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১০ জন, পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে ১৫ জন, অর্থনীতি বিভাগ থেকে ৬ জন, অ্যাকাউন্টিং বিভাগ থেকে ২ জন, ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে ১ জন এবং ইংরেজি বিভাগ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।
গবেষণা সেলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আব্দুর রফিক জানান, শিক্ষার্থীদের গবেষণা সহায়তার অর্থ ইতোমধ্যে নিজ নিজ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিভাগীয় প্রধানের কাছ থেকে এ অর্থ সংগ্রহ করবেন।
গবেষণা সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির বলেন, “উচ্চশিক্ষার মূল শক্তি হলো গবেষণা। মানসম্মত, প্রাসঙ্গিক ও ধারাবাহিক গবেষণার পরিবেশ তৈরি হলেই একটি বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করা হচ্ছে। মাস্টার্স থেকে পিএইচডি পর্যন্ত গবেষণার প্রতিটি ধাপে এই সহায়তা ভবিষ্যৎ দক্ষ গবেষক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে গবেষণার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে আমরা আশাবাদী।”
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

