AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সরস্বতী পূজায় উৎসবমুখর মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাস


Ekushey Sangbad
মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
০৬:৪১ পিএম, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সরস্বতী পূজায় উৎসবমুখর মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাস

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) প্রতি বছরের ন্যায় এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে সরস্বতী পূজা উদযাপন করছে সনাতনী শিক্ষার্থীরা।

আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এ আয়োজন। ঘণ্টাধ্বনি ও পুরোহিতের মন্ত্রপাঠে মুখরিত হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপ। ঢাক-ঢোল, কাঁসর, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। এদিন শিক্ষার্থীরা দুই হাত জোড় করে বিদ্যার দেবী বীণাপাণি সরস্বতীর আরাধনায় মগ্ন থাকেন এবং আলোকিত মানুষ হওয়ার প্রার্থনা করেন।

শ্রীপঞ্চমী উপলক্ষে দেবীর পাদপদ্মে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, আরতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এ আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতি বছর মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে শ্বেতশুভ্র কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবী সরস্বতীর আবাহন করা হয়। এই তিথিকে বসন্ত পঞ্চমী বা শ্রীপঞ্চমীও বলা হয়। শাস্ত্রমতে, সাদা রাজহাঁসে চড়ে বীণা হাতে সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানের প্রতীক হিসেবে দেবী সরস্বতী জগতে আবির্ভূত হন। তাঁকে চার বেদের জননী বলা হয়।

সরস্বতী পূজার মূল উদ্দেশ্য হলো—পৃথিবীর সকল মানুষ যেন জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয় এবং অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে আলোর পথে অগ্রসর হতে পারে। সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দেবী বন্দনা অনুষ্ঠিত হয়।

সরস্বতী পূজা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী গৌরভ ভৌমিক বলেন, “শিক্ষা, ন্যায় ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ সরস্বতী পূজা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জ্ঞানের দেবীর আরাধনার পাশাপাশি সবার সাফল্য কামনায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে মাভাবিপ্রবির পূজামণ্ডপ।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি—হিন্দুধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যাম্পাসে একটি স্থায়ী মন্দির স্থাপন করা হোক।”

সনাতনী শিক্ষার্থীরা জানান, দেবী যেন সকলের মনের অজ্ঞানতা দূর করে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেন—এই কামনাই তাঁদের। তাঁরা বলেন, দেবী শুধু শিক্ষার্থী বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ নন; দেবীর অবস্থান সকল মানুষের অন্তরে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!