উত্তেজনা, ফাউল আর খেলোয়াড়দের মধ্যে বাকবিতণ্ডায় ভরপুর ছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার সেমিফাইনালের প্রথমার্ধ। আক্রমণভাগে দুই দলই খুব বেশি কার্যকর হতে না পারায় বিরতিতে গোলশূন্য সমতায় মাঠ ছাড়ে তারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও রেফারির দ্রুত হস্তক্ষেপে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
প্রথমার্ধের ৩৮ মিনিট পর্যন্ত খেলার চেয়ে ফাউল ও শারীরিক লড়াইই ছিল বেশি চোখে পড়ার মতো। পুরো প্রথমার্ধে দুই দল মিলে ১৯টি ফাউল করে, যার মধ্যে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে।
কৌশলগত ফুটবলের চেয়ে ম্যাচটি ছিল লড়াই-সংগ্রামনির্ভর। ইংল্যান্ড কয়েকবার আক্রমণ গড়ে তুললেও তা থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাও ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগে তেমন কোনো কার্যকর হুমকি সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়।
ফলে আক্রমণভাগের নিষ্প্রভ পারফরম্যান্স, ঘনঘন ফাউল এবং উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় সেমিফাইনালের প্রথমার্ধ।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

