ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করে হতাশায় ডুবলেও শেষ পর্যন্ত গোল করে আবারও ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন লিওনেল মেসি। মিশরের বিপক্ষে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে সমতাসূচক গোল করে একসঙ্গে একাধিক রেকর্ড গড়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে এটি ছিল মেসির অষ্টম গোল। এই গোলের মাধ্যমে ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপে গিয়ের্মো স্তাবিলে গড়া এক আসরে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ ৮ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসান ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। প্রায় ৯৬ বছর পর সেই কীর্তি স্পর্শ করলেন তিনি।
এছাড়া বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে নকআউট পর্বের টানা ছয় ম্যাচে গোল করার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন মেসি। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে টানা নয় ম্যাচে গোল করার কৃতিত্বও এখন তার দখলে।
গোলের পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়ে গোল করানোর ক্ষেত্রেও নতুন ইতিহাস গড়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এই ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপে নিজের মোট অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৯-এ উন্নীত করেন তিনি। ফলে ৮ অ্যাসিস্ট নিয়ে থাকা আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনাকে ছাড়িয়ে যান মেসি।
তবে ম্যাচে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়ে এক বিশ্বকাপ আসরে দুটি পেনাল্টি মিস করা প্রথম ফুটবলার হয়েছেন মেসি। এর আগে গ্রুপ পর্বে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেও স্পট কিক কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।
এদিন মাঠে নেমে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ ১৪টি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
মিশরের বিপক্ষে মেসির উল্লেখযোগ্য ৬ কীর্তি:
এক বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে ৮ গোল করে গিয়ের্মো স্তাবিলের ৯৬ বছর আগের রেকর্ড স্পর্শ।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা ৬ ম্যাচে গোল করা প্রথম ফুটবলার।
বিশ্বকাপে টানা ৯ ম্যাচে গোলের রেকর্ড।
বিশ্বকাপে ৯ অ্যাসিস্ট করে দিয়েগো ম্যারাডোনার (৮) রেকর্ড ভাঙা।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ ১৪ ম্যাচ খেলার রেকর্ড।
এক বিশ্বকাপ আসরে দুটি পেনাল্টি মিস করা প্রথম ফুটবলার।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

