ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। তবে দ্বিতীয়ার্ধে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের দুর্দান্ত জোড়া গোলে ডিআর কঙ্গোকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়নরা। আগামী ৬ জুলাই শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হবে মেক্সিকো।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই ডিআর কঙ্গোকে এগিয়ে দেন ব্রায়ান সিপেঙ্গার। অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বার পাস থেকে ডি-বক্সের বাঁ দিক থেকে নেওয়া তার নিখুঁত শট জড়িয়ে যায় ইংল্যান্ডের জালে।
গোল শোধে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালায় ইংল্যান্ড। ৩০ মিনিটে জুড বেলিংহামের হেড এবং পাঁচ মিনিট পর মার্কাস রাশফোর্ডের শট অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি।
প্রথমার্ধের শেষদিকে ইওয়ান উইসার শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসায় বড় বিপদ থেকে রক্ষা পায় ইংল্যান্ড। যোগ করা সময়ে বেলিংহামের আরেকটি হেডও দুর্দান্ত সেভ করেন এমপাসি।
দ্বিতীয়ার্ধেও ইংল্যান্ডের আক্রমণ অব্যাহত থাকে। ৫৪ মিনিটে বেলিংহামের দিক পরিবর্তন করা শটও ঠেকিয়ে দেন কঙ্গোর গোলরক্ষক।
অবশেষে ৭৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। এরপর ৮৬তম মিনিটে আবারও গর্ডনের পাস থেকে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের শক্তিশালী শটে জয়সূচক গোল করেন তিনি।
এই জয়ে ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে পিছিয়ে থেকেও নকআউট পর্বের ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড। আর সেই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের নায়ক হয়ে থাকলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
অন্যদিকে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো ডিআর কঙ্গোকে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

