AB Bank
ঢাকা বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান‌: বিলম্বিত হতে পারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
০৩:৪৪ পিএম, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান‌: বিলম্বিত হতে পারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির নেত্রী অং সান সু চি, দেশটির প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ শাসক দলের শীর্ষ কয়েকজন নেতাকে সে দেশের সেনাবাহিনী আটক করে ক্ষমতা দখল করে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লেইংয়ের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে। এর ফলে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আবার ঝুলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

মিয়ানমারের অনীহায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া প্রায় এক বছরের মতো বন্ধ থাকার পর তা নিয়ে সম্প্রতি আলোচনা পুনরায় শুরু হয়েছে। গত ১৯ জানুয়ারি চীনের উদ্যোগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করে বাংলাদেশ। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক হওয়ার সিদ্ধান্তও রয়েছে। কিন্তু মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে  চলতি মাসের মিটিং হবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, আমরা কোন ব্যাক্তির সাথে নয় সরকারের সাথে আলোচনা করছি, তাই আমরা আলোচনা এগিয়ে নিতে চাই।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহাব এনাম খান এ বিষয়ে বলেন, অতীতে প্রত্যাবাসনের পুরো বিষয়টি সেনাবাহিনীকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেনাবাহিনীর দখলে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে অং সান সু চি সেনাবাহিনীর বাইরে গিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি। সুতরাং পুরো বিষয়টি আগেও সেনাবাহিনীর ওপর নির্ভরশীল ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।

এ আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ব্যাখ্যা করে বলেন, বর্তমানে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুটি জিনিসের ওপর জোর দিতে হবে। এক নম্বর হলো সামরিক কূটনীতিক তৎপরতা বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে অতীতে আমরা জোর দিইনি। দ্বিতীয়টি হলো চীনের সম্পৃক্ততা বাড়ানো। ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় চীনের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে হবে।

এ প্রসঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রদূত ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক হুমায়ুন কবীর বলেছেন, প্রতিবেশী হিসেবে মিয়ানমারের যে সরকারই থাকুক তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুত থাকা উচিত।

সাবেক এ রাষ্ট্রদূত বলেন, মিয়ানমারের এ মুহূর্তে অগ্রাধিকার রোহিঙ্গা ইস্যু নয়। অগ্রাধিকার হলো তারা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি সামলানো। সে বিবেচনায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে ব্যস্ত থাকবে। সুতরাং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুর গুরুত্ব এখন কিছুটা কমবে। আমি মনে করি, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার আলোচনা সাময়িক অনিশ্চয়তায় পড়ল এটা বলা যায়। তবে এতদিন যে আলোচনা হয়েছে তার পুরোটা যে নষ্ট হয়ে যাবে বিষয়টি তেমন নয়। আমাদের চুক্তি মিয়ানমারের সরকারের সঙ্গে। সুতরাং আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলব।

একুশেসংবাদ/অমৃ

Link copied!