বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, জাতীয় নির্বাচন ঘিরে “টালবাহানা” শুরু হয়ে গেছে। তিনি বলেন,“কথিত অল্প সংস্কার আর বেশি সংস্কারের অভিনব আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে জাতীয় নির্বাচনের ভবিষ্যৎ।”
বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত ‘তারুণ্যের সমাবেশে’ ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এই সমাবেশটি আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।
তারেক রহমান বলেন,“কোনো রাজনৈতিক দলই তার কর্মসূচি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে না যদি না তার পেছনে থাকে একটি জবাবদিহিমূলক ও নির্বাচিত সরকার। জনগণের রায় বাস্তবায়নের একমাত্র পথ হচ্ছে নির্বাচন।”
তিনি অভিযোগ করেন,“বর্তমান সরকার একের পর এক সংস্কারের কথা বলছে, কিন্তু তা কেবলমাত্র জনগণকে বিভ্রান্ত করার একটি নাটক। প্রকৃতপক্ষে, তারা নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করতে চায়।”
তারেক রহমান সতর্ক করেন, যে কোনো রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বা বিলম্ব গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না।
সঞ্চালনায় ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।
অন্য বক্তারা ছিলেন:বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ ।
তারা সবাই নির্বাচনের আগে “নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের” দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনগুলো মে মাসজুড়ে তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন বিভাগে ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ করে আসছে।
ঢাকার নয়াপল্টনে আজকের সমাবেশ ছিল এই কর্মসূচির চূড়ান্ত আয়োজন।
এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ছিল উৎসবমুখর। মঞ্চে গান, পতাকা, স্লোগান আর বক্তৃতায় সরব হয়ে উঠেছিল প্রাঙ্গণ।
তারেক রহমানের বক্তব্যে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা ও আন্দোলনের বার্তা আরও স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।
একুশে সংবাদ / ঢ.প/এ.জে