ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ উপলক্ষে কলেজ ক্যাম্পাসে নানা আয়োজন ও প্রস্তুতি চলছে।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তব্য দেবেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জোবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা এটিকে ডিএমসিয়ানদের জন্য একটি মিলনমেলা হিসেবে দেখছেন। তাদের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়ন ও দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীরা মনে করেন, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রধানমন্ত্রীর সফর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের আরও উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে ডা. জোবাইদা রহমানের উপস্থিতিও তাদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে নতুন গতি আনবে।
এছাড়া ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমানও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে প্রতিষ্ঠানের জন্য ইতিবাচক ও অনুপ্রেরণাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের অন্যতম শীর্ষ সরকারি মেডিকেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে এখানে এমবিবিএসসহ চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

