AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
সেতু নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর

দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগে নতুন দিগন্ত


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০১:২১ পিএম, ১১ জুন, ২০২৬

দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগে নতুন দিগন্ত

দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়ন চুক্তি (Implementation Agreement) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব (বৈদেশিক সহায়তা অধিশাখা) ড. মো. মোকছেদ আলী এনডিসি এবং চীনের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কাউন্সেলর মি. সং ইয়াং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন। এছাড়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি), সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং চীন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

প্রস্তাবিত ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুটি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালী-বাউফল-গলাচিপা-আমড়াগাছিয়া মহাসড়কের (জেড-৮৮০৬) ১৪তম কিলোমিটারে লোহালিয়া নদীর ওপর বগা ফেরিঘাটের ভাটিতে নির্মিত হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বাউফল, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার লাখো মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা কৃষিপণ্য, মৎস্যসম্পদ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনের জন্য বগা ফেরিঘাটের ওপর নির্ভরশীল। সেতুটি নির্মিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে।

প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২ দশমিক ৬২ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৩৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল সেতু এবং প্রায় ১ দশমিক ২৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় মূল সেতু ও এপ্রোচ সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন অনুদান হিসেবে প্রদান করবে চীন সরকার। অন্যদিকে ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ সরকার।

চুক্তি স্বাক্ষরের পরবর্তী ধাপে চীন সরকারের মনোনীত প্রতিষ্ঠান সেতুর বিস্তারিত নকশা (Detailed Design) প্রণয়ন ও চূড়ান্তকরণের কাজ সম্পন্ন করবে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের কার্যক্রমও চলমান থাকবে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এতে যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমবে, পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং কৃষি, মৎস্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতের বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি এটি দক্ষিণাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!