AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

সুস্থ হয়ে ওঠা বাঘিনীটিকে বুনো পরিবেশের পরিবর্তে সাফারি পার্কে রাখার পরামর্শ


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
১২:১১ পিএম, ২৯ মে, ২০২৬

সুস্থ হয়ে ওঠা বাঘিনীটিকে বুনো পরিবেশের পরিবর্তে সাফারি পার্কে রাখার পরামর্শ

ফাইল ছবি

সুন্দরবনে শিকারির ফাঁদে আটকা পড়া বাঘিনী এখন তার আগের ক্ষিপ্রতা ফিরে পেয়েছে। বাঘিনীটির সামনের বাঁ পায়ে ৩ ইঞ্চির মতো জায়গায় চামড়া, মাংশপেশি ও শিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ফাঁদের রশিতে টানাটানির কারণে ক্ষত হয়ে পচন ধরে যায়। অ্যান্টিবায়োটিক ও নিয়মিত ড্রেসিংয়ে মার্চ মাসের দিকে ঘা শুকিয়ে আসে। ক্ষত হওয়া স্থানও ভরাট হয়ে লোম গজিয়েছে।


ঘটনাটা  এ বছরের ৩ জানুয়ারির। বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার শরকির খাল লাগোয়া সুন্দরবন। হরিণ শিকারের জন্য ফাঁদ পেতেছিল শিকারিরা। তাতে আটকা পড়ে একটি বাঘিনী। খবর পেয়ে বন বিভাগের একটি বিশেষায়িত দল ৪ জানুয়ারি প্রাণীটিকে উদ্ধার করে।

পরে খুলনার বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পুনর্বাসনকেন্দ্রে বাঘিনীটিকে হস্তান্তর করা হয়। গঠন করা হয় পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড। সেখানেই চলে চিকিৎসা। মাস পাঁচেক পরে এখন বাঘিনীটি সুস্থ হয়ে উঠেছে। বন বিভাগ বাঘিনীটিকে আবার সুন্দরবনে ফেরানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। সব ঠিক থাকলে আগামী জুনেই এটিকে বনে ফেরানো সম্ভবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক ছানাউল্যা পাটওয়ারী বলেন, আহত বাঘিনীটি দীর্ঘদিন শিকার ধরেনি। কাজেই এটির শিকারের সক্ষমতা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে এসেছে। বাঘিনীটি দীর্ঘদিন কোন শিকার ধরেনি। এমন পরিস্থিতিতে সুস্থ হয়ে ওঠার পর বাঘিনীটিকে বুনো পরিবেশে ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে যেকোনো সাফারি পার্কে রাখার পরামর্শ দেন ছানাউল্যা পাটওয়ারী।

বাঘিনীটির চিকিৎসায় নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন বন অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি চিকিৎসক হাতেম সাজ্জাত জুলকারনাইন। তিনি বলেন, বাঘিনীটিকে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে উদ্ধার করতে হয়েছিল। তখন প্রাণীটি ছিল নিস্তেজ, দুর্বল ও ক্ষীণকায়। দীর্ঘ দিনের চিকিৎসায় ক্ষিপ্রতা ফিরে পেয়েছে বাঘিনীটি, ওজন বেড়েছে।  

বাঘের জীবনকাল সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই বাঘিনীর বয়স ১০ থেকে ১১ বছর। বন অধিদপ্তরের বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক ছানাউল্যা পাটওয়ারী বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসার পর বাঘিনীটি হারানো ক্ষিপ্রতা ও গতি ফিরে পেয়েছে। এখন প্রাণীটির ওজন ৮০ কেজির মতো।

সুন্দরবনে ছেড়ে আসার পরও বাঘিনীটির ওপর কীভাবে নজর রাখা যায় এবং পর্যবেক্ষণ করা যায়, সেসব নিয়ে এখন বন কর্মকর্তারা চিন্তাভাবনা করছেন। ছানাউল্যা পাটওয়ারী বলেন, সেটি হতে স্যাটেলাইট কলার কিংবা মাইক্রোচিপের মতো কোনো কিছু।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!