AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত


Ekushey Sangbad
স্টাফ রিপোর্টার
০৮:২৩ পিএম, ৮ মার্চ, ২০২৬

নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

‘আজকের পদক্ষেপ,আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশে সরকারি-বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ পালন করেছে।

এর মধ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক ‘অদম্য নারী’ পুরস্কার প্রদান, র‌্যালি, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে নারীদের সামাজিক,অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সাফল্য উদযাপন এবং লিঙ্গ সমতার দাবি জোরদার করা হয়।

রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উদযাপন এবং ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ বছরের আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

এছাড়াও আরো পাঁচজনকে তাদের দৃঢ়তা ও অর্জনের জন্য পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট চিকিৎসক, সমাজকর্মী ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং তাঁদের একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অ্যাকশন অ্যাইড বাংলাদেশ ও প্রথম আলোর যৌথ উদ্যোগে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিন বেলা ১১টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। পরে সাংবাদিক মমতাজ বানুকে কৃতী নারী হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
ডিআরইউ’র আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন: প্রতি বছরের মতো এবারও আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালি ও নারী সদস্যদের সম্মানে উপহার প্রদান করা হয়। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আজকের পদক্ষেপ আগামীর ন্যায়বিচার সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’।

র‌্যালির আগে ডিআরইউর নারী বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ।  তিনি বলেন, রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ এখনো আশঙ্কাজনকভাবে কম। এ পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে।

কর্মস্থলসহ সব ক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা যেন আর দেখতে না হয়— সেটাই হোক নারী দিবসের অঙ্গীকার ও প্রত্যয়। তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশুর ওপর যে সহিংসতা চলছে, সেই কালো অধ্যায়ের অবসান আমরা দেখতে চাই।

এ জন্য দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া। এতে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক নারী বিষয়ক সম্পাদক রোজিনা রোজী এবং প্রেসেঞ্জারের সিনিয়র রিপোর্টার জাহিদা পারভেজ ছন্দা।

এছাড়াও র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আকতার হোসেন, সুমন চৌধুরী, মো. মাজাহারুল ইসলাম, ডেইলি সিটিজেন টাইমসের সম্পাদক নাজমুল আহমেদ তৌফিক, এম এ বাকী, এটিএন নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার মাহফুজা মোসলেহী, আমার দেশ পত্রিকার এমরানা আহমেদ, হরলাল রায় সাগর প্রমুখ।

নারী দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে জাহিদা পারভেজ ছন্দা বলেন, বর্তমান সময় শুধু উদযাপনের নয়, বরং নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারের সময়। উন্নত সমাজ মানে সকল নারীর জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করা। সভাপতির বক্তব্যে জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না বলেন, নারীকে দুর্বল ভাবা বন্ধ করতে হবে।

তাদের সুযোগ দিতে হবে, অধিকার দিতে হবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে সমাজ নিজেই বদলে যাবে। সাম্প্রতিক সময়ে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে সরকারকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। তা না হলে নারীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।
বিশ্ব নারী দিবসে বৈষম্যমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি: বৈষম্যমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে ‘অপরাজেয় তারুণ্য’-ইউওয়াইপি। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে এই দাবি জানায় সংগঠনটি।

এদিন রাজধানীর বাংলামটরে নিজ কার্যালয়ে ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’  স্লোগানে এ দিবস পালন করা হয়। সেমিনারে আলোচনা সভায় বক্তারা নারীর মানবাধিকার সুরক্ষায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা এবং কর্মসংস্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করাসহ বৈষম্যমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন। অপরাজেয় তারুণ্যের ম্যানেজার মোহাম্মদ আবু রায়হানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক তাসনিম নওশিন ফারিহা।

প্যানেল আলোচনায় তিনি বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। নারী দিবসের আলোচনায় আরও অংশ নেন জেন্ডার এক্সপার্ট তাজকেরা খায়ের, ইউওয়াইপির সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার আকতানিন খায়ের তানিন প্রমুখ। প্যানেল আলোচনায় বিভিন্ন প্রশ্ন এবং মতামত তুলে ধরেন ইউওয়াইপি ঢাকা সেন্টারের মেন্টর ছায়েদুল হক নিশান, কড়াইল কমিউনিটির আহসান হাবিব, লিজা আক্তার ও মিরনজিল্লার রাগিনী রাণী। সেমিনারের আগে বাংলামোটরে ব্যানার-ফেস্টুন টানিয়ে কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।
আইসিবি’তে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উদযাপন: ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এর প্রধান কার্যালয়ে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে আইসিবি’র পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ নূরুল হুদা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সভায় বক্তারা নারী অধিকার রক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে নারীদের সমতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

অনুষ্ঠানে আইসিবি’র সাবসিডিয়ারি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, মহাব্যবস্থাপকগণ এবং কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত নারী কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। একটি গণমাধ্যমে এই উদযাপনের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
অগ্রণী ব্যাংকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উদযাপন: অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র উদ্যোগে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬’ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে এদিন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে নারী দিবস উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম।

এ সময় ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা পারভীন, মহাব্যবস্থাপকগণসহ বিভিন্ন ডিভিশন এবং শাখার নারী নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন যে, অগ্রণী ব্যাংকের নারী নির্বাহীগণ বিভিন্ন ডিভিশন ও গুরুত্বপূর্ণ শাখার প্রধান হিসেবে অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে তাঁদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ব্যাংকের সার্বিক অগ্রগতিতে নারী কর্মকর্তাদের এই অনবদ্য ভূমিকার প্রশংসা করা হয়।

এনআরবিসি ব্যাংকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন: নারী সহকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। এদিন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার/সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ শীর্ষক স্লোগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান।

এ সময় ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মুহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খান, মানবসম্পদ প্রশিক্ষণ এবং উন্নয়ন কেন্দ্রের (এইচআরটিডিসি) প্রিন্সিপাল মিসেস ফাহমিদা চৌধুরী, ঋণ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান তনুশ্রী মিত্র, প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা (সিএইচআরও) ফয়সল আহমেদসহ প্রধান কার্যালয় ও ঢাকার বিভিন্ন শাখার নারী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নারী দিবস উপলক্ষে ব্যাংকের সকল নারী কর্মকর্তাদের বিশেষ সম্মাননাপত্র প্রদান এবং ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। এছাড়া ব্যাংকের সকল শাখা ও উপশাখায় নারী সহকর্মীদের প্রতি বিশেষভাবে সম্মান প্রদর্শন করা হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে নারী দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। এই দিবসটি উদযাপনের পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধরা প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। সেই মিছিলে চলে সরকার লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন।

১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হয়। ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ, জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের একজন। এরপর ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এতে যোগ দিয়েছিলেন।

এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সিদ্ধান্ত হয় যে, ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে নারীদের সম-অধিকার দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হবে। দিবসটি পালনে এগিয়ে আসে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রীরা। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে লাগল।

বাংলাদেশেও ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতার লাভের পূর্ব থেকেই এই দিবসটি পালিত হতে শুরু করে। ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে পৃথিবীজুড়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি। এবারও সারা বিশ্বের সব দেশে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। দিবসটি পালনে প্রতিবছরই একটি প্রতিপাদ্য সুনির্দিষ্ট করা হয়।

 

Link copied!