AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

জুলাইযোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১:০২ এএম, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

জুলাইযোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ ও বিচারিক কার্যক্রম আইনগতভাবে প্রত্যাহার বলে গণ্য হবে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে ভবিষ্যতে নতুন কোনো মামলা বা অভিযোগ দায়েরও করা যাবে না।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটির গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

অধ্যাদেশের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসান ঘটে এবং গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে ওঠে। ওই সময় ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্দেশে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র হামলার মুখে আত্মরক্ষা, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ অনিবার্য হয়ে পড়ে।

এ প্রেক্ষাপটে গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনি সুরক্ষা প্রদান জরুরি বিবেচনায় এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, যদি কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে অংশগ্রহণজনিত কারণে মামলা বা অভিযোগ দায়ের থাকে, তাহলে পাবলিক প্রসিকিউটর বা সরকার নিযুক্ত আইনজীবীর প্রত্যয়ন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করা হবে। আবেদন গৃহীত হলে আদালত ওই মামলার আর কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করবে না এবং মামলাটি প্রত্যাহার হয়েছে বলে গণ্য হবে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাৎক্ষণিকভাবে অব্যাহতি বা খালাস পাবেন।

তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত কোনো হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে। কমিশন অভিযোগ তদন্তের উদ্যোগ নেবে। এ ক্ষেত্রে নিহত ব্যক্তি যদি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হন, তবে সংশ্লিষ্ট বাহিনীতে কর্মরত বা সাবেক কোনো কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

তদন্ত চলাকালে কাউকে গ্রেপ্তার বা হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজন হলে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করে কমিশনের পূর্বানুমোদন নিতে হবে।

মানবাধিকার কমিশনের তদন্তে যদি প্রতীয়মান হয় যে অভিযোগটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সংঘটিত অপরাধমূলক অপব্যবহার, তাহলে কমিশন সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে। আদালত ওই প্রতিবেদনকে পুলিশ প্রতিবেদনের মতো বিবেচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

আর যদি তদন্তে দেখা যায়, অভিযোগে উল্লিখিত কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল, তাহলে কমিশন প্রয়োজন মনে করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সরকারকে নির্দেশ দিতে পারবে। এ ধরনের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা বা অন্য কোনো আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!