AB Bank
ঢাকা শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বঙ্গবন্ধুর সহচর প্রবীণ সাংবাদিক আবদুর রাজ্জাক বেলাল‍‍` এর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৬:১০ পিএম, ২৩ মার্চ, ২০২৪
বঙ্গবন্ধুর সহচর প্রবীণ সাংবাদিক আবদুর রাজ্জাক বেলাল‍‍` এর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

প্রবীণ সাংবাদিক আবদুর রাজ্জাক বেলাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন ৷ ১৯৫২  সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষাসৈনিকদের গুলি করার প্রতিবাদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নুরল আমিনের সঙ্গ ত্যাগ করেন। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে দেখা করে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।  বঙ্গবন্ধু ও মওলানা ভাসানীকে স্বরচিত সংগীত শোনালে সার্বক্ষনিক কর্মী হিসেবে নিয়োগ পান ৷

১৯৫৫  সালের ২৭ মে লালদীঘির ময়দানে গান গেয়ে মওলানা ভাসানীর জনসভায় শেরেবাংলার কেএসপির  লাঠিয়াল বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত বন্ধ করে সুনাম কুড়ান ৷  প্রবীণ সাংবাদিক ‍‍`সাপ্তাহিক যুগধ্বনির‍‍` সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক বেলালের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়।  গতকাল শনিবার তার গ্রামের বাড়িতে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।  তিনি স্ত্রী, ছয় ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি ১৯৬৯ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত দৈনিক ইত্তেফাক-এ কর্মরত ছিলেন৷ তার সম্পাদিত ‍‍`মাসিক  যুগধ্বনি‍‍`-কে সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশ করেন ১৯৭৪ সালে । তার লেখা বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সংগীত পুস্তিকা: ‍‍`সিপাহ-সালার সংগীত‍‍` বরিশাল (১৯৫১),  *আওয়ামী গণসংগীত‍‍` ঢাকা (১৯৫৫), ‍‍`এগিয়ে চলার ঢাকা‍‍` (১৯৬১) ৷ সঙ্কলন: যুগধ্বনি, ঢাকা (১৯৬২),  শেরেবাংলা, ঢাকা (১৯৬২), জননায়ক ফজলুল হক, ঢাকা (১৯৬৩), পাকিস্তান ও সোহরাওয়ার্দী, ঢাকা  (১৯৬৩) ।  

স্বজনরা জানান, আজীবন দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে গেছেন আবদুর রাজ্জাক বেলাল ৷ কিন্তু বিনিময়ে  আওয়ামী লীগের কাছ থেকে কোনরকম সাহায্য-সহযোগিতা চাননি ।  তার বড় মেয়ে রারজানা সুলতানা দৈনিক যায়যায়দিনে আছেন। তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে এবার নির্বাহী সদস্য হিসেবে পাস করেন। 

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমরা বাবাকে আর ফিরে পাব না, তবে তার পত্রিকাটি যেন প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। তাহলেই বাবার অন্তিম আকাঙ্খা পূর্ণ করতে পারব। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে একটি নিউজ প্রকাশিত হয় ১৯৯১  সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে । যে কারণে যুগধ্বনি পত্রিকাটি অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় পরিণত হয়।  আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ায় আর কিছুই করতে পারিনি । তাই আমরা প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহযোগিতা কামনা  করছি।

একুশে সংবাদ/এস কে

Link copied!