AB Bank
  • ঢাকা
  • সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
৩৪ কোটি টাকার ঋণ আত্মসাৎ

এস আলম পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার এগোচ্ছে, সাক্ষ্য ৯ আগস্ট


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৮:১১ পিএম, ১৯ জুলাই, ২০২৬

এস আলম পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার এগোচ্ছে, সাক্ষ্য ৯ আগস্ট

ব্যাংক খাতকে পরিকল্পিতভাবে লুটপাট এবং জালিয়াতির মাধ্যমে জনগণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা ৩৪ কোটি টাকার বহুল আলোচিত মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম), রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়েছে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ আগামী ৯ আগস্ট মামলার অবশিষ্ট জেরা ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে ফাস্ট ইসলামী সিকিউরিটি ব্যাংক পিএলসির অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদ সাক্ষ্য দেন। পরে কারাগারে থাকা আসামি রাশেদুল হকের পক্ষে আইনজীবী তাকে জেরা করেন। অপর আসামি নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে জেরা পেছানোর আবেদন আদালত মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত অভিযোগপত্রভুক্ত ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিলে মামলার সাক্ষ্যপর্ব শেষ হবে। এরপর শুরু হবে পরবর্তী বিচারিক ধাপ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে পরস্পর যোগসাজশে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান এ এম ট্রেডিং-এর নামে ৩৪ কোটি টাকার মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করা হয়। পরে সেই অর্থ এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, পুরো প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে, যার ফলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ অর্থ ঝুঁকির মুখে পড়ে।

এই মামলায় শুধু একজন শিল্পগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান নন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের একাধিক সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালকও আসামি হয়েছেন। বর্তমানে দুই আসামি কারাগারে থাকলেও অন্যরা পলাতক এবং তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এই মামলাটি দেশের আর্থিক খাতে সংঘটিত বড় ধরনের ঋণ জালিয়াতির অন্যতম আলোচিত উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ করে প্রভাবশালী মহলের পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জনমনে ক্ষোভ রয়েছে। তাই এই মামলার বিচার শুধু ৩৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের নিষ্পত্তিই নয়, বরং আর্থিক খাতে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় আনা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!