AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

জাতিসংঘে ছয় দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরলেন খলিলুর রহমান


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৯:৫৩ এএম, ৩ জুন, ২০২৬

জাতিসংঘে ছয় দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরলেন খলিলুর রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম বক্তব্যে বৈশ্বিক শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে ছয়টি অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দেওয়া বক্তব্যে তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, তাদের আস্থা ও সমর্থনের ফলেই তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন। দায়িত্বটিকে তিনি বিনয় ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করছেন বলেও উল্লেখ করেন।

ড. খলিলুর রহমান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় সহযোগিতাকারী দেশবাসী, তার টিম এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের সমর্থকদেরও ধন্যবাদ জানান।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস কাকৌরিসের প্রশংসা করে তিনি বলেন, কাকৌরিস একটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক প্রচারণা পরিচালনা করেছেন, যা ভবিষ্যতের জন্য একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।

বক্তব্যে নবনির্বাচিত সভাপতি বলেন, জাতিসংঘ এমন এক সময়ে নবম দশকে প্রবেশ করছে, যখন বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, সংঘাত, মানবিক সংকট এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাতের কারণে মানবিক দুর্ভোগ বাড়ছে, উন্নয়ন অর্জনগুলো ঝুঁকির মুখে পড়ছে এবং মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও উদ্বেগজনক পশ্চাদপসরণ দেখা যাচ্ছে।

এ ছাড়া বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ এবং জাতিসংঘের আর্থিক সংকট সংস্থাটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শান্তি ও নিরাপত্তা ইস্যুকে নিজের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে ড. খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও অবদান তাকে অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি বলেন, সাইপ্রাস, সুদানসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

সংঘাত প্রতিরোধ, রাজনৈতিক সমাধান, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বেসামরিক মানুষের সুরক্ষাকে কেন্দ্র করে আরও কার্যকর শান্তিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার পক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি। পাশাপাশি শান্তিরক্ষা মিশনে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি ও বাস্তব অর্জনের মধ্যে এখনও উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়ে গেছে।

২০২৭ সালের এসডিজি সম্মেলনকে সামনে রেখে পিছিয়ে থাকা লক্ষ্যগুলো অর্জনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় এসডিজি অর্থায়নের ঘাটতি দূর করা, ঋণের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সংস্কার এবং নারী ও কন্যাশিশুদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) উন্নয়ন ও উত্তরণ প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে দোহা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে একটি আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আস্থাভিত্তিক জাতিসংঘ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!