ইন্দোনেশিয়া-তে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬। দেশটির পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রের নিচে মাঝারি মাত্রার এই কম্পন অনুভূত হয়। তবে এতে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি।
গালফ নিউজ জানায়, ইন্দোনেশিয়ার তিমোর দ্বীপ সংলগ্ন সমুদ্রে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। দেশটির ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার গভীরে। প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
কম্পনটি পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হয়, যার মধ্যে তিমোর দ্বীপও রয়েছে। তবে ভূমিকম্পটির কেন্দ্র সমুদ্রে এবং তুলনামূলক গভীরে হওয়ায় সুনামির ঝুঁকি কম। এছাড়া রয়টার্স ও এবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের কিছুক্ষণের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ সুনামির আশঙ্কা নেই বলে নিশ্চিত করে।
উল্লেখ্য, এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপদেশ ইন্দোনেশিয়ার জন্যসংখ্যা সাড়ে ২৭ কোটির বেশি। ভূতাত্ত্বিক অবস্থার কারণে নিয়মিতই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে ভূমিকম্প, অগ্নুৎপাত ও সুনামির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটে থাকে।
২০০৯ সালে দেশটির পাদাংয়ে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৬ মাত্রার এক ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই সময় প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে এক হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং আহত হন আরও অনেকে। এছাড়া ভূমিকম্পে বাড়িঘর ও বিভিন্ন স্থাপনাও ধ্বংস হয়ে যায়।
বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
তারও আগে ২০০৪ সালে সুমাত্রার উপকূলে ৯ দশমিক ১ মাত্রার মাত্রার ভয়াবহ একটি ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের পরপর আঘাত হানে সুনামি। তখন ওই অঞ্চলে ভূমিকম্প ও সুনামির কারণে ইন্দোনেশিয়ায় ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

