মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এতে বেশ কিছু স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্র ও নৌঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর তেহরান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায়। এরই ধারাবাহিকতায় উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
এরপর সতর্কবার্তার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও রাতেই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে কাতারের রাস লাফফান গ্যাসক্ষেত্র, সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাবশান গ্যাসক্ষেত্র ও বাব তেলক্ষেত্র এবং সৌদি আরবের দুটি তেল শোধনাগার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কাতার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার পর রাস লাফফান গ্যাসক্ষেত্রে আগুন ধরে যায়, যদিও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত নিরাপত্তার কারণে তাদের একটি গ্যাসক্ষেত্রের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে।
এ ঘটনায় কাতারসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

