AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা পাকিস্তানের


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১০:২৩ এএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা পাকিস্তানের

পাকিস্তান-আফগান সীমান্তের ডুরান্ড লাইনে সেনাচৌকিতে হামলার ঘটনার পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। এ প্রেক্ষাপটে দেশটি ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ নামে পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান শুরু করেছে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় যুদ্ধ ঘোষণার বিষয়টি জানান। তিনি লিখেছেন, “আমাদের সহনশীলতার সীমা অতিক্রম করা হয়েছে। এখন আর কোনো বিকল্প নেই—শুধু যুদ্ধই হবে।”

এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান বিমান বাহিনী (পিএএফ) আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশে একযোগে বিমান হামলা চালায়। একইসঙ্গে স্থলবাহিনীও সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান শুরু করে।

শুক্রবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের বিদেশি গণমাধ্যমবিষয়ক মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানান, রাত ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যৌথভাবে বিমান ও স্থল অভিযান শুরু হয়।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানের অংশ হিসেবে কাবুল, পাকতিয়া ও কান্দাহারের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। এতে আফগান বাহিনীর ২৭টি সেনাচৌকি ধ্বংস এবং ৯টি চৌকি পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

মোশাররফ জাইদি দাবি করেন, পিএএফের বোমাবর্ষণে আফগান বাহিনীর দুটি প্রধান সেনা সদর, তিনটি ব্রিগেড সদর, দুটি গোলাবারুদ গুদাম, একটি লজিস্টিক ঘাঁটি, তিনটি ব্যাটালিয়ন সদর ও দুটি সেক্টর সদর ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া ৮০টির বেশি ট্যাংক, বিপুল সংখ্যক কামান ও সাঁজোয়া যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বিমান বাহিনী আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে বিমান হামলা চালায়। পাকিস্তানের দাবি ছিল, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর ঘাঁটি লক্ষ্য করেই ওই হামলা চালানো হয়েছিল এবং নিহত সবাই টিটিপির সদস্য।

তবে আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার তখন পাল্টা অভিযোগ করে জানায়, পাকিস্তান জনবসতিতে হামলা চালিয়েছে। একইসঙ্গে তারা প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয়।

সেই হুঁশিয়ারির কয়েক দিনের মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে খাইবার পাখতুনখোয়ার সীমান্তবর্তী ডুরান্ড লাইনে পাকিস্তানি সেনাচৌকিতে অতর্কিত হামলা চালায় আফগান বাহিনী। এতে একাধিক পাকিস্তানি সেনা নিহত ও কয়েকজন অপহৃত হন বলে ইসলামাবাদের দাবি।

তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, নাইট ভিশন ও লেজারনির্দেশিত অস্ত্র ব্যবহার করে এ হামলা চালানো হয়েছে। তিনি লেখেন, “এইবার পাকিস্তানি বাহিনীকে নরকে পাঠানো হবে।”

এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!