AB Bank
  • ঢাকা
  • শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বাংলাদেশ-চীনকে নজরে রাখতে নতুন নৌঘাঁটি গড়ছে ভারত


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২:০০ পিএম, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশ-চীনকে নজরে রাখতে নতুন নৌঘাঁটি গড়ছে ভারত

বাংলাদেশ ও চীনের সামরিক তৎপরতা পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গের বন্দরনগরী হলদিয়ায় নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতের নৌবাহিনী। এই ঘাঁটিকে বঙ্গোপসাগরের উত্তরাঞ্চলে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতি জোরদারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতীয় নৌবাহিনীর একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে–কে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গোপসাগরের উত্তর প্রান্তে চীনা নৌবাহিনীর সক্রিয়তা বাড়ছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগও নজরে এসেছে। বাংলাদেশি উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের পাকিস্তান সফরকেও বিষয়টি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এসব পরিস্থিতির প্রেক্ষিতেই ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন এই নৌঘাঁটি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রস্তাবিত নৌঘাঁটিটি কলকাতা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হবে। হলদিয়ায় ঘাঁটি স্থাপন করা হলে হুগলি নদীপথ ব্যবহার করে অল্প সময়ের মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারবে ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ও নৌযান।

নৌঘাঁটি নির্মাণের জন্য হলদিয়া ডক কমপ্লেক্স ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে নৌবাহিনীর অপারেশনাল সুবিধা বাড়বে এবং নতুন অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজনও তুলনামূলকভাবে কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতীয় নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এই ঘাঁটিতে একাধিক ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফট (এফআইসি) ও নিউ ওয়াটার জেট ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফট (এনডব্লিউজেএফএসি) মোতায়েন করা হবে। এসব দ্রুতগতির সামরিক নৌযান ও যুদ্ধজাহাজ ঘণ্টায় প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ নট, অর্থাৎ ৭৪ থেকে ৮৩ কিলোমিটার গতিতে চলতে সক্ষম।

এফআইসি ও এনডব্লিউজেএফএসি শ্রেণির নৌযানগুলো বিশ্বের দ্রুততম সামরিক নৌযানের মধ্যে অন্যতম বলে দাবি করছে ভারতীয় নৌবাহিনী। এসব জাহাজে সিআরএন-৯১ স্বয়ংক্রিয় মেশিনগানসহ ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি নাগাস্ত্র সুইসাইডাল ড্রোন সিস্টেমসহ আধুনিক অস্ত্র সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রস্তাবিত নৌঘাঁটিতে প্রায় ১০০ জন নৌ কর্মকর্তা ও নাবিক সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চীনের বাড়তে থাকা উপস্থিতি, বাংলাদেশ–চীন সামরিক সহযোগিতা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক চুক্তি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘন ঘন সামরিক যোগাযোগ—এই সবকিছু মিলিয়েই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে নতুন নৌঘাঁটি গড়ছে ভারত।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!